Low Potassium Fruits For Kidney Patient

পটাশিয়াম কম, কিডনির রোগীদের জন্য এমন কোন কোন ফল বেছে নিতে পারেন, কী লাভ হবে এতে

শরীর থেকে বাড়তি পটাশিয়াম বেরিয়ে যায় মূত্রের মাধ্যমে। কিন্তু যাঁদের কিডনি ঠিকমতো কাজ করে না, তাঁদের ক্ষেত্রে বাড়তি পটাশিয়াম সমস্যার কারণ হয়ে ওঠে। কম পটাশিয়াম যুক্ত ডায়েট করতে হলে, কোন ফল থাকবে তালিকায়।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৪ মে ২০২৬ ১৬:২৫
Share:

কিডনির সমস্যা থাকলে কোন ফল নিয়মিত খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন? ছবি:সংগৃহীত।

হার্ট ভাল রাখা থেকে স্নায়ু-পেশি সতেজ রাখতে পটাশিয়াম জরুরি। খনিজটির ঘাটতি হলে শরীর দুর্বল হয়ে যেতে পারে। আবার এই খনিজ‌ই বিপদের কারণ হতে পারে কিডনির রোগীদের জন্য। শরীরে পটাশিয়াম যতটা প্রয়োজন কাজে লাগে। বাড়তি খনিজ বেরিয়ে যায় মূত্রের মাধ্যমে। কিন্তু যাঁদের কিডনি ঠিকমতো কাজ করে না, তাঁদের ক্ষেত্রে বাড়তি পটাশিয়াম সমস্যার কারণ হয়ে ওঠে। কারণ, এই খনিজ শরীরে জমতে থাকলে হাইপারক্যালেমিয়া হয়। তা থেকে হার্টের সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

Advertisement

তাই কিডনির সমস্যা যাঁদের রয়েছে, তাঁদের শরীরে পটাশিয়ামের মাত্রা ঠিক রাখাটা বেশি জরুরি হয়ে পড়ে। সাধারণত রক্তপরীক্ষাতেই ধরা পড়ে, খনিজটি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি রয়েছে কি না। তবে এই সমস্যা এড়াতে, অনেক সময়ে কিডনির রোগীদের চিকিৎসকেরা তুলনামূলক কম পটাশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খেতে বলেন।

কম পটাশিয়াম সমৃদ্ধ এমন কোন ৫ ফল রাখতে পারেন তালিকায়—

Advertisement

আপেল: একটি মাঝারি আকারের আপেল ফাইবার, ভিটামিনের জোগান দিলেও, এতে পটাশিয়ামের মাত্রা থাকে তুলনামূলক কম। অল্প একটু দারচিনির গুঁড়ো ছড়িয়ে আপেল খেলে উপকার মিলবে আরও বেশি। তবে একসঙ্গে বেশি নয়, একটি ছোট আপেল এক দিনে খাওয়া যেতে পারে।

আঙুর: রসালো আঙুর ভিটামিন, খনিজ, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে ভরপুর। এতে পটাশিয়াম মিললেও, তার মাত্রা বেশ কম। ফলে যাঁরা লো-পটাশিয়াম ডায়েট করতে চাইছেন, তাঁরা নিশ্চিন্তে এই ফল খেতে পারেন। তবে দিনে আধ কাপের বেশি নয়।

বেরি: স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি, ক্যানবেরি— যে কোনও বেরি জাতীয় ফলে ভিটামিন সি, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট সহ একাধিক খনিজও মেলে। অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করে। তবে বেশি নয়, আধ কাপ ফল খাওয়া যেতে পারে সারা দিনে।

আনারস: তালিকায় রাখা যায় আনারসও। গরমের দিনে জলের চাহিদা মেটাতে কিছুটা হলেও সাহায্য করে ফলটি। এতেও পটাশিয়ামের মাত্রা বেশ কম। তবে দিনে আধ কাপ টুকরো করা আনারসই খাওয়া ভাল, তার বেশি নয়।

তরমুজ: তরমুজেও পটাশিয়ামের মাত্রা বেশ কম। এই ফলও কিডনির রোগীরা বা যাঁরা কম পটাশিয়াম যুক্ত খাবার খেতে চান তাঁরা রাখতে পারেন। দিনে এক কাপ খাওয়া যেতে পারে।

ন্যাশনাল কিডনি ফাউন্ডশেন বলছে, সমস্ত ফলই এক সঙ্গে একই দিনে খাওয়া চলবে না। বরং এক থেকে দুই রকমের ফল দিনের বিভিন্ন সময়ে নির্দিষ্ট পরিমাপে খাওয়া যেতে পারে। না হলে খুব অল্প অল্প করে পটাশিয়াম জুড়লেও, তা মাত্রা ছাড়াতে পারে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement