গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
রাজনীতির ব্যস্ত জীবনে দিনের অধিকাংশ সময় কাটে সভা, বৈঠক, প্রশাসনিক কাজ এবং সফরে। এমন ব্যস্ত সূচির মধ্যেও কী ভাবে নিজেকে সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ? সম্প্রতি তাঁর দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাস নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। গরমে অনেকের জন্যই উপকারী হতে পারে তাঁর রোজের ডায়েট।
৫৪ বছর বয়সেও তাঁর কর্মশক্তি এবং শৃঙ্খলাবদ্ধ জীবনযাপন অনেকের কাছে কৌতূহলের বিষয়। জানা গিয়েছে, তাঁর খাদ্যতালিকা অত্যন্ত সাধারণ। নেই বিলাসের চিহ্নমাত্র। বরং গুরুত্ব দেওয়া হয় হালকা, সহজপাচ্য এবং পুষ্টির দিকেই। ভারতীয় ঘরোয়া খাবারের পরিচিত উপকরণই বেশি পরিমাণে থাকে তাঁর ডায়েটে।
প্রাতরাশ
রিপোর্ট বলছে, যোগী আদিত্যনাথের সকালের খাবারে সাধারণত এমন কিছু থাকে যা, শরীরকে হালকা রাখে এবং দিনভর কাজের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি জোগায়। খাদ্যতালিকায় ফলের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। বিশেষ করে পেঁপে তাঁর পছন্দের ফলগুলির মধ্যে অন্যতম বলে জানা গিয়েছে। পেঁপে হজমে সাহায্য করে এবং এতে বিভিন্ন ভিটামিন ও ফাইবার থাকে। গরমের দিনে ঘোল বহু ভারতীয় পরিবারেরই পরিচিত পানীয়। যোগী আদিত্যনাথও সকালে ঘোল খান। ঘোলে জল, প্রোটিন এবং কিছু প্রয়োজনীয় খনিজ থাকে। গরমের দিনে শরীরকে আর্দ্র রাখতে এবং হজমে সাহায্য করতে এটি উপকারী বলে মনে করা হয়। তা ছাড়া কাবলি ছোলা, মটর এবং কালো ছোলাও খান মাঝে মধ্যে। এতে থাকে ফাইবার, প্রোটিন, আয়রন ও খনিজ-সহ বহু পুষ্টিগুণ। কখনও কখনও ডায়েটরি ফাইবার, কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট এবং নানা পুষ্টি উপাদানে ভরপুর ডালিয়াও খান প্রাতরাশে।
মধ্যাহ্নভোজ
দুপরে খাওয়ার টেবিলে সাধারণত থাকে রুটি, যাতে রয়েছে ডায়েটরি ফাইবার, কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট এবং ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন এবং বি ভিটামিন। রুটির সঙ্গে সব্জি সেদ্ধ খেতে ভালবাসেন তিনি। ফলে গরমের দুপুরেও শরীর ভাল থাকে।
নৈশভোজ
সুস্থ জীবনযাপনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস হল রাতে হালকা খাবার খাওয়া। আদিত্যনাথও সাধারণত সহজপাচ্য এবং পরিমিত খাবার খেতেই পছন্দ করেন। তাই ডাল আর কোনও এক প্রকার তরকারি দিয়েই রাতের খাওয়া সেরে নেন। রিপোর্ট অনুযায়ী কখনও আবার রাতে কিছু কেবল একটি আপেল খেয়েই নৈশভোজ করেন, ফলে ডায়েটরি ফাইবার, পেপ্টিনের গুণ শরীরে পৌঁছোয়।