ED Attacked in Kerala

সিপিএম নেতা পিনারাই বিজয়নের বাড়ি তল্লাশিতে গিয়ে আক্রান্ত ইডি! কেরলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কী অভিযোগ?

‘সিএমআরএল দুর্নীতি’ মামলায় বুধবার কেরল জুড়ে ন’জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে ইডি। এর মধ্যে তিরুঅনন্তপুরমে বিজয়নের বাড়ি কান্নুর জেলার পৈত্রিক ভিটে রয়েছে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৭ মে ২০২৬ ১৬:৪১
Share:

কেরলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

সন্দেশখালি কাণ্ডের ছায়া তিরুঅনন্তপুরমে! কেরলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সিপিএম পলিটব্যুরোর সদস্য পিনারাই বিজয়নের বাড়িতে তল্লাশি অভিযানে গিয়ে বুধবার হামলার শিকার হয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর তদন্তকারী দল! ইডি অফিসারদের গাড়ি ঘিরে উত্তেজিত সিপিএম কর্মীরা ভাঙচুর করেছেন, পাথর ও জলের বোতল ছুড়েছেন বলে অভিযোগ। এ সংক্রান্ত একাধিক ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে (আনন্দবাজার ডট কম ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি)।

Advertisement

সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানাচ্ছে, ‘কোচিন মিনারেলস অ্যান্ড রুটাইল লিমিটেড’ (সিএমআরএল) সংক্রান্ত এক দুর্নীতি মামলার সূত্র ধরেই এই তল্লাশি। ওই মামলায় নাম জড়িয়েছে বিজয়নের কন্যা বীণা। বীণার স্বামী মহম্মদ রিয়াজ় সিপিএমে নেতা তথা কেরলের পূর্বতম বামজোটের সরকারের পূর্তমন্ত্রী। শুধু বিজয়নের বাড়ি নয়, এই মামলায় কেরল জু়ড়ে আরও ন’জয়গায় তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে ইডি। এর মধ্যে কান্নুর জেলায় বিজয়নের পারিবারিক বাড়িও রয়েছে।

বিজয়ন কেরলের রাজধানী তিরুঅনন্তপুরমের বেকারি জংশন এলাকায় একটি ভাড়াবাড়িতে থাকেন। বুধবার ভোরে সেখানে হানা দেন ইডির আধিকারিকেরা। কিছু ক্ষণের মধ্যেই বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে সেই খবর প্রচারিত হতে থাকে। বাইরে জমতে থাকে সিপিএম কর্মী-সমর্থকদের ভিড়। তাঁদের অনেকে বাড়ির মূল ফটক দিয়ে জোর করে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। ইডি, কেন্দ্রীয় সরকার এবং বিজেপির বিরুদ্ধে স্লোগান তোলেন। এমনকি, কিছু বিক্ষোভকারী নিরাপত্তারক্ষীদের দিকে প্লাস্টিকের বোতল, হেলমেট ও পাথর ছুড়েছেন, গাড়ি ভাঙচুর করেছেন বলে অভিযোগ। পরে সিপিএম নেতাদের হস্তক্ষেপে কর্মীদের শান্ত হন। হিংসাত্মক বিক্ষোভ থেমে যায়।

Advertisement

প্রসঙ্গত, কেরালার কোচিন মিনারেলস অ্যান্ড রুটাইল লিমিটেড (সিএমআরএল) এবং বিজয়ন-কন্যা বীণার মালিকানাধীন তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা ‘এক্সালজিক সলিউশনস’-এর মধ্যে বিতর্কিত আর্থিক লেনদেনই ‘সিএমআরএল দুর্নীতি’ বা (সিএমআরএল মান্থলি পে-অফ কেস) নামে পরিচিত। কেন্দ্রীয় সংস্থা ইডি এবং এসএফআইও (সিরিয়াস ফ্রড ইনভেস্টিগেশন অফিস) এই মামলায় প্রায় আড়াই কোটি টাকার অস্বচ্ছ লেনদেন ও কর্পোরেট জালিয়াতির তদন্ত করছে। অভিযোগ, সিএমআরএল ২০১৮ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে এক্সালজিক সলিউশনস’কে ১.৭২ কোটি টাকা দিয়েছিল, কোনও পরিষেবা না নিয়েই। সিএমআরএলের তরফে ইডি-তদন্ত বন্ধের জন্য কেরল হাই কোর্টে আবেদন জানানো হলেও মঙ্গলবার তা খারিজ হয়ে গিয়েছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement