—প্রতীকী চিত্র।
বকর-ই-ইদের আগে গরু কোরবানি না দেওয়ার আহ্বান জানাল অসমের বেশ কিছু ইদগাহ কমিটি। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা ওই ইদগাহ কমিটিগুলির ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, এই উদ্যোগ রাজ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাপালন করবে।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, হোজাই, ধুবুড়ি, বঙ্গাইগাঁও, উদারবন্দ-সহ অসমের বিভিন্ন এলাকার ইদগাহ কমিটি ইদের সময় গরু কোরবানি না দেওয়ার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি এর পিছনের আইনি ও ধর্মীয় কারণও ব্যাখ্যা করেছে। হিমন্ত লেখেন, “তাঁরা সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়ের আবেগকে সম্মান জানিয়েছেন। এই ধরনের পদক্ষেপ অসমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় করবে।” তিনি আশা প্রকাশ করেন, রাজ্যের অন্যান্য ইদগাহ কমিটিও একই ধরনেরউদ্যোগ নেবে।
হোজাই টাউন ইদগাহ ও কবরস্থান কমিটি তাদের বিবৃতিতে জানায়, যদিও বর্তমান আইনে নির্দিষ্ট দূরত্বের বাইরে গরু কোরবানিতে বাধা নেই, তবুও হোজাই শহরে শতাধিক মন্দির এবং বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষের বসবাস থাকায় ইদগাহ এলাকার মধ্যে গরু কোরবানি দেওয়ার বদলে অন্য বৈধ পশু কোরবানি দেওয়াই ভাল। তারা কোরবানির পশু বা মাংসের ছবি ও ভিডিয়ো সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার না করার অনুরোধও করে।
উল্লেখ্য, অসম গবাদি সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, হিন্দু, শিখ, জৈন এবং অন্যান্য গোমাংস ভক্ষণ না করা সম্প্রদায়ের সংখ্যাগরিষ্ঠ বসবাসকারী এলাকা অথবা কোনও মন্দির ও অনুরূপ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে গোমাংস বেচাকেনা ও ভক্ষণ নিষিদ্ধ। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে অসম সরকার হোটেল, রেস্তরাঁ এবং সামাজিক অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে গোমাংস পরিবেশন ও ভক্ষণ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তও নেয়।
এ দিকে প্রাক্তন বিধায়ক আলি আকবর মিঁয়া সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিয়োতে পুলিশ বাহিনী এবং ‘অসম ক্যাটল প্রিজ়ারভেশন’ আইন সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করেছিলেন বলে অভিযোগ। এরপরেই তাঁকে বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে