দিনের শেষে পায়ের যত্ন নিন ১০ মিনিটেই। ছবি:সংগৃহীত।
দিনের শেষে বাড়ি ফিরে মুখ পরিষ্কারের কৌশল নিয়ে যত ভাবনা থাকে, তার বিন্দুমাত্র থাকে না পা নিয়ে। অনেকে স্নানের সময়ে সাবান বা ছোবড়া দিয়ে পা ঘষে নেওয়াই যথেষ্ট বলে মনে করেন।
অথচ গরমে পা-ঢাকা জুতো পরলে অনেকেরই পায়ে বিশ্রী গন্ধ হয়, আবার পা খোলা জুতো পরলে কালচে ছোপ হয়ে যায়। তা ছাড়া দিনভর শরীরের ভার বহন করছে যে পা, তার যত্নও কি না করলে চলে? পায়ের তলায় রয়েছে একগোছা স্নায়ু। ফলে পায়ের পরিচর্যা মানে সারা শরীরের আরাম। সালোঁয় গিয়ে পায়ের জন্য খরচ করতে যদি কষ্ট হয়, তা হলে বাড়িতেই নিন সেই যত্ন। কৌশল সাধারণ। সপ্তাহে একদিন দিনের শেষে ১০ মিনিটই যথেষ্ট।
১। একটি ছোট গামলা হালকা গরম জলে ছড়িয়ে দিন ইপসম সল্ট। এই লবণ খনিজে ভরপুর। নুন জলে পা ডুবিয়ে রাখলে কোনও সংক্রমণ থাকলে কমবে, পায়ে আরাম হবে। তা ছাড়া, দানাদার লবণ দিয়ে হালকা করে পা ঘষলে ময়লার পাশাপাশি মৃত কোষ ঝরে যাবে।
২। গরম জলে একটু বডি সোপ গুলে ফেনা করে নিন। তার মধ্যে পা ডুবিয়ে রাখুন মিনিট পাঁচেক। তার পরে পিউমিক স্টোন বা ঝামা দিয়ে পা আলতো করে ঘষে নিন। এতেই পা অনেকটা পরিষ্কার দেখাবে।
৩। এর পর ব্যবহার করুন স্ক্রাবার। পায়ে প্রচুর ময়লা থাকে। নখের কোণ, পায়ের নীচের চামড়া আলতো হাতে মালিশ করতে হবে। এই ধাপটি খুবই আরামদায়ক। এর পর হালকা গরম জলে পা ধুয়ে নিলে, অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে যাবে।
৪। স্ক্রাবিং করার পরে পায়ের নখগুলি পরিষ্কার করার পালা। নখ বড় হলে নেলকাটার দিয়ে কেটে নিন। কিউটিকল রিমুভার দিয়ে নখের উপরিতল ভাল করে পরিষ্কার করে নিন। বুড়ো আঙুলের নখের কোনায় খুব বেশি ময়লা জমে যায়। সেগুলিও পরিষ্কার করুন, না হলে সেখান থেকে সংক্রমণ ছড়াতে পারে।
৫। পা আরও একবার ধুয়ে নিয়ে বডি লোশন বা ফুট ক্রিম দিয়ে ভাল করে মাসাজ করে নিন। সপ্তাহে এক থেকে দুই বার এই ভাবে যত্ন নিলে পা থাকবে সুন্দর, কমবে সংক্রমণের ভয়। বিশেষত ডায়াবিটিস থাকলে ঘরোয়া পেডিকিওর খুবই কাজে আসবে।