প্রতি সপ্তাহে ভিনিগার দিয়ে স্নানঘর পরিষ্কার করবেন কেন? ছবি:সংগৃহীত।
নিয়ম করে কমোড, বেসিন পরিষ্কার করলেও, মেঝে পরিষ্কার করা হয়ে ওঠে না? তাতেই রোগ-জীবাণুর আঁতুরঘর হয়ে উঠতে পারে স্নানঘর। স্নানঘরের মধ্যেই কমোড থেকে বেসিন থাকে। থাকে তোয়ালে থেকে দাঁত মাজার সরঞ্জামও।
কিন্তু সেই স্থান যদি অপরিচ্ছন্ন রয়ে যায়, ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে স্বাস্থ্য। তবে পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক পেশাদাররা বলছেন, এমন সমস্যার সমাধান হতে পারে মাত্র ১৫ মিনিটে। নামী-দামি কোনও শৌচাগার পরিষ্কার করার রাসায়নিকের দরকার নেই, এই কাজ হতে পারে সাদা ভিনিগার দিয়েই।
স্নানঘরে দুর্গন্ধ, ভ্যাপসা ভাব সবই কাটবে এতে। মরবে জীবাণুও। অনেক সময়ে স্নানঘরের মেঝে আপাত দৃষ্টিতে পরিষ্কার দেখায়। ফলে মেঝে বা দেওয়ালের টালি আলাদা করে গুরুত্ব দিয়ে পরিষ্কারের কথা অনেকে ভাবেন না। কিন্তু এতেই ফাঁক রয়ে যায়। মেঝে, কমোডের নীচের অংশ, টালি থেকেও রোগ সংক্রমণের ভয় রয়ে যায়।
তারই সমাধান হতে পারে ভিনিগার! কী ভাবে? এতে রয়েছে ৫ শতাংশ অ্যাসিটিক অ্যাসিড, যা জীবাণু পরিষ্কারে সক্ষম। হাসপাতালের মতোই পরিচ্ছন্নতা দিতে পারে এই ভিনিগার। এটি মেঝের ফাঁকে জমা ময়লা, জলে থাকা খনিজের দাগ তুলতে সাহায্য করে। দুর্গন্ধ দূর করার পাশাপাশি জীবাণুর বৃদ্ধি ঠেকায়।
নিয়ম
ভিনিগার স্প্রে করে অন্তত ৫ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। তার পরে কাপড় দিয়ে বা মেঝে ঘষার ব্রাশ দিয়ে স্নানঘরের আনাচকানাচ পরিষ্কার করে নিন। ভিনিগার স্প্রে করার সঙ্গে সঙ্গে কাপড় দিয়ে মুছে ফেললে হবে না।
স্নানঘরের কোথাও কোথাও জল পড়ে হলদেটে দাগ হয়ে যায়। এমন ময়লা তুলতে রাতভর জায়গাটিতে ভিনিগার স্প্রে করে রাখুন। সকালে বেকিং সোডা ছড়িয়ে দিন। মিনিট ৫-১০ পরে ঘষে নিলেই হলদেটে ছোপ পরিষ্কার হয়ে যাবে।
কত দিন অন্তর
সপ্তাহে এক দিন করলেই হবে। তবে স্নানঘর যদি বেশি নোংরা হয় সপ্তাহে ২ দিনও ভিনিগার দিয়ে পরিষ্কার করা যায়।