বিখ্যাত হয়েই পুরনো সঙ্গীর দিকে ফিরেও তাকাননি এই বলিউড তারকারা

বিখ্যাত হয়েই এঁরা ভুলে গিয়েছেন অতীতের প্রেমকে। অনেকে তো অস্বীকারই করেছেন সেই সম্পর্কের কথা। বিখ্যাত হয়েই এই বলি তারকারা আর মনে রাখেতে চাননি পুরনো সম্পর্কের কথা।
ব্যবসায়ী অসীম মার্চেন্টের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল প্রিয়ঙ্কা চোপড়ার। তবে ২০১৪ সালে মিস ওয়ার্ল্ড হওয়ার পর থেকেই নাকি প্রিয়ঙ্কা তাঁকে এড়িয়ে চলা শুরু করেন। তাঁকে নিয়ে ছবিও বানাতে চেয়েছিলেন অসীম। প্রিয়ঙ্কা নাকি আইনি নোটিসও দিয়েছিলেন অসীমকে।
নীল নীতীন মুকেশের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল ডিজাইনার প্রিয়ঙ্কা ভাটিয়ার। তবে ২০০৭ সালে প্রথম ছবি ‘জনি গদ্দার’ ছবির সাফল্যের পরই নাকি নীল আর যোগাযোগ রাখেননি পুরনো প্রেমিকার সঙ্গে।
ইমরান খানের স্ত্রী অবন্তিকা মালিকই নাকি রণবীর কপূরের প্রথম প্রেম। এমনকি অবন্তিকার সিরিয়াল ‘জাস্ট মহব্বত’-এর সেটেও দেখা গিয়েছিল তাঁকে। তবে রণবীর নাকি বলিউডে পুরোদমে কাজ শুরু করার পরই আর যোগাযোগ রাখেননি অবন্তিকার সঙ্গে।
রণবীর সিংহের প্রথম প্রেম নাকি হেমা মালিনী ও ধর্মেন্দ্রর মেয়ে অহনা। কিন্তু রণবীরই সেই সম্পর্ক ভেঙে দেন। এদিকে অহনার সঙ্গে পরবর্তীতে সম্পর্ক তৈরি হয় আদিত্য রায় কপূরের। তবে আদিত্যও চার বছরের সম্পর্ক ভেঙে দেন বলিউডে খানিকটা নাম পেতেই।
সোনাক্ষী সিংহের সঙ্গে নাকি টানা দু’বছর সম্পর্ক ছিল শিল্পপতি আদিত্য শ্রফের। পরবর্তীতে যদিও সোনাক্ষীই নাকি সেই সম্পর্ক ভেঙে দেন, কারণ তিনি তখন বলিউডের নায়িকা।
শেখর সুমনের ছেলে অধ্যয়ন সুমনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা ছিল কঙ্গনার। তবে ‘গ্যাংস্টার’ মুক্তি পেতেই কঙ্গনা লাইমলাইটে চলে আসেন। তার পর থেকেই নাকি আর অধ্যয়নকে চিনতে পারতেন না কঙ্গনা।
বাহরাইনের প্রিন্স হাসান বিন রশিদ আল খলিফার সঙ্গে টানা দু’বছর নাকি সম্পর্ক ছিল জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজের। তবে বলিউডে পা রেখে পরিচালক সাজিদ খানের সঙ্গে সম্পর্কের গুঞ্জন শুরু হতেই ভেঙে যায় সেই সম্পর্ক।
দীপিকা পাড়ুকোনের সঙ্গে অভিনেতা নীহার পাণ্ড্যর সম্পর্ক নিয়ে বি টাউনে গুঞ্জন ছিল। হিমেশ রেশমিয়ার অ্যালবাম ‘আপ কা সুরুর’-এ এক সঙ্গে কাজও করেছেন। তবে ‘ওম শান্তি ওম’ মুক্তি পাওয়ার সময় থেকেই নাকি সম্পর্কে চিড় ধরতে থাকে।
প্রায় দু’বছর সলমন খানের বোন অর্পিতার সঙ্গে ডেট করেছেন অর্জুন কপূর। একটি চ্যাট শোয়ে নাকি স্বীকারও করেছিলেন সে কথা। তবে অর্জুন ছবি নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। আর রাখেননি যোগাযোগ।
অনুষ্কার সঙ্গেই বলিউডে পা রেখেছিলেন তাঁর প্রেমিক জোহেব ইউসুফ। তবে ইউসুফ ব্রেক পাননি। যেখানে অনুষ্কা শর্মা পান ‘রব নে বানা দি জোড়ি’। জোহেব ফিরে যান বেঙ্গালুরুতে। সম্পর্ক স্থায়ী হয়নি আর।
অভিষেক বচ্চন: গুরু মুক্তির আগে অভিষেকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল দীপান্বিতা শর্মার। কিন্তু গুরু মুক্তির পরই অভিষেক অসম্ভব সাফল্য পান। তাঁদের ১০ মাসের সম্পর্কে ইতি সেখানেই।
আলিয়া ভট্ট: আলি দাদারকরই নাকি আলিয়ার ছোট্টবেলার প্রেম। কিন্তু ‘স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার’ ছবির কাজ শুরু হওয়ার সময়েই ব্রেক আপ হয় তাঁদের।