সন্তান স্কুলে যাওয়া শুরু করেছে? এ সব বিষয়ে নজর রাখছেন তো?

আধুনিক যুগে শিশুর লেখাপড়া নিয়ে ভাবনা-চিন্তা শুরু হয়ে যায় অনেক আগে থেকেই। বয়স আড়াই-তিনের কোঠায় পৌঁছলেই স্কুলের খোঁজ শুরু করেন অভিভাবকরা। কিন্তু নতুন স্কুলে যোগ দেওয়ার সময় আপনার সন্তানের আদৌ কোনও সমস্যা হচ্ছে না তো? ওকে সার্বিক ভাবে সুস্থ রাখতে স্কুলে ভর্তি হওয়ার পর নজর রাখুন এ সব বিষয়ে। ছবি: পিক্সঅ্যাবে।
প্রথম প্রথম স্কুলে যাওয়ার সময় অনেক শিশুই কান্নাকাটি করে। বাড়ির পরিবেশ, চেনা মানুষজনের মুখ ছেড়ে অনেকটা সময় একা থাকার ভয় তাকে তাড়া করে বেড়ায়। এই সময় শিশুকে সময় দিন। তাকে বোঝার চেষ্টা করুন। অনেক অভিভাবক এমন পরিস্থিতিতে কড়া শাসনে রেখে শিশুদের অভ্যাস বদলাতে চান। এমন ভুল করবেন না। ছবি: শাটারস্টক।
কিছু দিন কাটার পর শিশু স্কুলে অভ্যস্ত হতে শেখে, তার নতুন অনেক বন্ধুও হয়। নজর রাখুন সে সব বন্ধুত্ব যেন তাকে আনন্দ দেয়। আপনিও চিনে রাখুন তার নতুন বন্ধুদের। শিশুর জীবন শুরুর প্রাথমিক সময় থেকেই বন্ধুত্বের মর্যাদা ও প্রয়োজনীয়তা তাকে উপভোগ করতে দিন। সহজ হয়ে ওদের মতো করেই মিশতে দিন ওদের। ছবি: পিক্সঅ্যাবে।
স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে ঠিক কেমন সম্পর্ক তার? কাউকে বিশেষ ভয় পায় কি? পেলে কেন পায়? জেনে রাখুন সব খুঁটিনাটি। ওর শিক্ষকদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখুন আপনিও। তাতে সন্তানের পড়াশোনা, আচার-ব্যবহার, স্কুলজীবন সব কিছু নিয়েই একটা স্পষ্ট ধারণা থাকবে। ছবি: শাটারস্টক।
স্কুলে বন্ধু বা শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে শিশুর বোঝাপড়ায় কোথাও ঘাটতি থেকে যাচ্ছে কি? প্রয়োজনে শিশুর সঙ্গে কথা বলুন। তাকে কোনও রকম হেনস্তার শিকার হতে হচ্ছে কি না তা নজরে রাখুন। একটি শিশুর প্রথম স্কুল তার জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সেখানে ওর কোনও সমস্যা যাতে না হয়, সে দিকে নজর রাখুন। ছবি: শাটারস্টক।
শিশুর স্বভাবের সঙ্গে স্কুলের পরিবেশ মানানসই না হলে তা তার মনের উপর প্রভাব ফেলে। এই পরিবেশে ওকে খাপ খাওয়াতে সাহায্য করুন, একান্তই সে তা না পারলে স্কুল বদলেও দেখতে পারেন। তবে সন্তান এ বিষয়ে কোথাও মানাতে না পারলে প্রয়োজনে চিকিৎসকের সাহায্য নিন। ছবি: পিক্সঅ্যাবে।
স্কুলে গেলে একা একা টিফিন খেতে হয়। বেশির ভাগ শিশুই নিজে হাতে খেতে পারে না। অনেক প্লে স্কুলেই টিফিন খেতে সাহায্য করেন অশিক্ষক কর্মীরা। সন্তানের ক্ষেত্রে সেই সাহায্য কাজে আসছে কি না নজরে রাখুন। প্রয়োজনে স্কুলের সঙ্গে কথা বলুন। দরকারে টিফিনে এমন কিছু দিন, যা হাতে করে খেতে ওর অসুবিধা না হয়। ছবি: শাটারস্টক।