boxing

কিশোরী ছাত্রীকে যৌন হেনস্থা, অশালীন আচরণ, বেঙ্গালুরুতে গ্রেফতার অভিযুক্ত বক্সিং কোচ

১০ বছর ধরে কান্তিরাভা স্টেডিয়ামের একটি ক্লাবে বক্সিং শেখে ১৭ বছরের ওই কিশোরী। সব কিছু ঠিকই চলছিল। ছ’সাত মাস আগে শুরু হয় সমস্যা। বক্সিং কোচ ৫০ বছরের রামচন্দ্রের কুনজর পড়ে ওই কিশোরীর দিকে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৪ মে ২০২৬ ১৩:৫৭
Share:

—প্রতীকী চিত্র।

দীর্ঘ দিন ধরে এক কিশোরী বক্সারে শ্লীলতাহানি এবং যৌন হেনস্থার অভিযোগ উঠল কোচের বিরুদ্ধে। নির্যাতিতার মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত কোচকে গ্রেফতার করে তদন্ত শুরু করেছে বেঙ্গালুরু পুলিশ। শ্রীঘরে ঠাঁই হয়েছে অভিযুক্তের।

Advertisement

১০ বছর ধরে কান্তিরাভা স্টেডিয়ামের একটি ক্লাবে বক্সিং শেখে ১৭ বছরের ওই কিশোরী। সব কিছু ঠিকই চলছিল। ছ’সাত মাস আগে শুরু হয় সমস্যা। বক্সিং কোচ ৫০ বছরের রামচন্দ্রের কুনজর পড়ে ওই কিশোরীর দিকে। নানা ভাবে হেনস্থা শুরু করেন তিনি। বছর চারেক আগে ক্লাবে যোগ দিয়েছিলেন অভিযুক্ত কোচ। আদতে তামিলনাড়ুর বাসিন্দা রামচন্দ্র। এর আগেও তাঁর বিরুদ্ধে মহিলাদের সঙ্গে অশালীন ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছিল। তবে যৌন হেনস্থার অভিযোগ এই প্রথম।

একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৭ মে চেন্নাইয়ে আয়োজিত রাজ্য বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপ চলার সময় প্রথম অভিযোগ করেন নির্যাতিতার মা। সংশ্লিষ্ট কমিটির কাছে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। অভিযোগে তিনি বলেন, রামচন্দ্র একটি ফাঁকা ঘরে তাঁর মেয়েকে ডেকে পাঠায়। সেখানে অশালীন ব্যবহার করা হয় কিশোরী বক্সারের সঙ্গে। বাধা আগ্রাহ্য করে ওই কিশোরীর গোপনাঙ্গ স্পর্শ করেন এবং জোর করে চুম্বন করেন। আগে এক বার বেঙ্গালুরুতে অনুশীলনের সময়ও এমন ঘটনা ঘটেছে বলে জানান তিনি। ঘটনার কথা জানাজানি হলে আরও বড় ক্ষতি করার হুমকিও দিয়েছিলেন অভিযুক্ত। মেয়েটি ভয় পেয়ে যাওয়ায় প্রথমে কাউকে কিছু বলেনি। বাড়িতেও কিছু জানায়নি। কিন্তু কোচের ধারাবাহিক যৌন হেনস্থা সহ্য করতে না পেরে মাকে সব জানায়।

Advertisement

ধৃত রামচন্দ্রের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যয় সংহিতার ৩৫১ ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। আদালত অভিযুক্তকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। বেঙ্গালুরুর সেন্ট্রাল জেলে রাখা হয়েছে তাঁকে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement