রুতুরাজ গায়কোয়াড়। ছবি: শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট।
ত্রিদেশীয় এক দিনের সিরিজ়ের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলকে ৮ রানে হারাল ভারত ‘এ’ দল। টানটান উত্তেজনার ম্যাচে তিলক বর্মাদের ৬ উইকেটে ২৭৭ রানের জবাবে সাহান আরাচ্চিগের দলের ইনিংস শেষ হয় ৪৮.৫ ওভারে ২৬৯ রানে।
১০ বলে শেষ ৪ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ খোয়াল আয়োজকেরা। ভারতের জয়ের অন্যতম নায়ক আর্শাদ খান শ্রীলঙ্কার ইনিংসের ৪৯তম ওভারে ২ উইকেট নেন। টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন ভারত ‘এ’ দলের অধিনায়ক তিলক। শুরুটা ভাল হয়নি ভারতের। দ্রুত আউট হয়ে যান দুই ওপেনার প্রভসিমরম সিংহ (২) এবং বৈভব সূর্যবংশী (১৪)। আগ্রাসী মেজাজে ব্যাট করেও বড় রান পাননি তিন নম্বরে নামা প্রিয়াংশ আর্য। তিনি ৪টি চার এবং ১টি ছয়ের সাহায্যে ৩২ রানে ৩২ রান করেন। এর পর ইনিংসের হাল ধরেন রুতুরাজ গায়কোয়াড় এবং তিলক। ১১৪ বলে ১০১ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেললেন রুতুরাজ। ৬টি চার এবং ৩টি ছয় এসেছে তাঁর ব্যাট থেকে। অধিনায়ক তিলক খেলেন ৯৭ রানে ৬০ রানের ইনিংস। ২টি চার এবং ১টি ছয় মেরেছেন তিনি। আয়ুষ বাদোনি (১৮ বলে ২৪) এবং সূর্যাংশ শেগদে (১৪ বলে অপরাজিত ২৬) দলকে ভাল জায়গায় পৌঁছে দেন।
শ্রীলঙ্কার সফলতম বোলার মোহামেদ সিরাজ় ৬৭ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন। ৩৫ রানে ১ উইকেট ওয়ানুজা সাহানের। ৪৬ রানে ১ উইকেট নিয়েছেন চামিকা করুণারত্নের। ৪৯ বলে ১ উইকেট গারুকা সঙ্কেতের।
জয়ের জন্য ২৭৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা খারাপ হয়নি শ্রীলঙ্কার। দুই ওপেনার নিরোশান ডিকওয়েল্লা এবং অভিষ্কা ফার্নান্ডো আগ্রাসী মেজাজে শুরু করেন। ডিকওয়েল্লা করেন ৪৫ বলে ৪৭। মারেন ৬টি চার। অভিষ্কার ব্যাট থেকে এসেছে ৫৯ বলে ৪৫ রানের ইনিংস। তিন নম্বরে নামা নুয়ানিদু ফার্নান্ডো (৮) ব্যর্থ হলেও শ্রীলঙ্কাকে ভাল জায়গায় পৌঁছে দেন চার নম্বরে নামা সাদিরা সমরবিক্রম এবং অধিনায়ক আরাচ্চিগে। ৫১ বলে ৪টি চারের সাহায্যে ৪৬ রান করেন সমরবিক্রম। আরাচ্চিগে করেন ৭২ বলে ৭৪। তাঁর ব্যাট থেকে এসেছে ৬টি চার এবং ২টি ছক্কা।
তাঁরা যতক্ষণ ক্রিজ়ে ছিলেন, ততক্ষণ শ্রীলঙ্কার জয়ের সম্ভাবনা ছিল বেশ ভাল। কিন্তু তাঁদের জুটি ভাঙতেই ধস নামে শ্রীলঙ্কার ইনিংসে। সাহান (২৩) ছাড়া আর কেউ ভরসা দিতে পারলেন না দলকে। বিশেষ করে ৪৯তম ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে প্রায় জেতা ম্যাচ হেরে যায় শ্রীলঙ্কা।
ভারতের সফলতম বোলার আর্শাদ ২৪ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন। ৪৬ রান দিয়ে ২ উইকেট বাদোনি এবং ভিপরাজ নিগমের। ৪৯ রানে ২ উইকেট অনুকূল রায়ের। এ ছাড়া ৪৭ রানে ১ উইকেট অনশুল কম্বোজের।