(বাঁ দিকে) হ্যারি কেন এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো (ডান দিকে)। ছবি: এক্স।
বিশ্বকাপে মাঠে নামার আগেই কেঁপে গেল ইংল্যান্ড। তবে এই কাঁপুনির সঙ্গে ফুটবলের কোনও সম্পর্ক নেই। ফ্লোরিয়ার ওয়েস্ট পাম বিচে চূড়ান্ত প্রস্তুতি শিবির করেছে টমাস টুখেলের দল। সোমবার সেখানে তীব্র ভূমিকম্প হয়। কম্পন অনুভূত হয়েছে ফ্লোরিডায় ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোদের পর্তুগাল শিবিরেও।
বুধবার কোস্টারিকার বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবেন হ্যারি কেনরা। তার আগে ইংল্যান্ড শিবিরে আতঙ্ক ছড়াল প্রাকৃতিক দুর্যোগে। আতঙ্ক ছড়ায় ফ্লোরিডায় রোনাল্ডোদের শিবিরেও। ফ্লোরিডায় গত প্রায় ১৫০ বছরের তীব্রতম ভূমিকম্পের সাক্ষী থাকলেন দু’দেশের ফুটবলারেরা। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৬.১। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল কিউবার পশ্চিম উপকূলের কাছে। ফ্লোরিডা থেকে ৪০০ মাইল দূরে, ভূপৃষ্ঠের ১৬ কিলোমিটার নীচে। অরল্যান্ডো, মায়ামি এবং জ্যাকসনভিলেও কম্পন অনুভূত হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি আতঙ্ক ছড়ায় কিউবায়। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেছেন, ‘‘বেশ ভালই কেঁপেছে বাড়ি-ঘর। আগে কখনও এমন হয়নি এখানে।’’ আর এক বাসিন্দা জানিয়েছেন, ‘‘ভূমিকম্প টের পাওয়ার পরই দৌড়ে বাড়ির বাইরে চলে এসেছিলাম। সকলেই বেশ ভয় পেয়ে গিয়েছিল। ব্যাপারটা ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়। এমন ভূমিকম্পের অভিজ্ঞতা প্রথম বার হল আমার।’’ মূল কম্পনের পর বেশ কয়েকটি আফটার শক বা ছোট কম্পনের কথা জানিয়েছে ইউএস জিয়োলজিক্যাল সার্ভে। বিশ্বকাপের দুই আয়োজক দেশ আমেরিকা এবং মেক্সিকো সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে। আপৎকালীন জিনিসগুলি হাতের কাছে রাখতে বলা হয়েছে। জানানো হয়েছে, সুনামির কোনও সম্ভাবনা নেই। এই অঞ্চলে ১৮৮০ সালে শেষ বার এমন তীব্র ভূমিকম্প হয়েছিল। সে বার কম্পনের মাত্রা রিখটার স্কেলে ছিল ৬।
ইংল্যান্ডের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ভূমিকম্পের জন্য ইংল্যান্ড শিবির থেকে কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। ফুটবলারেরা সকলে নিরাপদে রয়েছেন। কয়েক দিন পর দল নিয়ে টুখেল চলে যাবেন কানসাস সিটিতে। সেখানে থেকেই বিশ্বকাপের ম্যাচগুলি খেলবেন ১৯৬৬ সালের চ্যাম্পিয়নেরা। রোনাল্ডোরাও সকলে নিরাপদে রয়েছেন।