অডিশনে যোগ্যতার পরীক্ষা দিতে চাই না

মধু

অজয় দেবগণের সঙ্গে তাঁর ‘ফুল অউর কাঁটে’ সুপারহিট হয়েছিল। তার পর ‘রোজা’ মধুকে ইন্ডাস্ট্রিতে পাকা জায়গা তৈরি করে দেয়। নব্বইয়ের দশকে হিন্দি-দক্ষিণী দুই ইন্ডাস্ট্রিতেই জমিয়ে কাজ করেছিলেন মধু। কেরিয়ারের মাঝপথেই বিয়ে করে অভিনয় জগৎ থেকে প্রায় নির্বাসন নেন। সংসার সামলে ফের তিনি  অভিনয়ের মঞ্চে। তবে এ বার বেছে নিয়েছেন ছোট পরদা। স্টার প্লাসের ‘আরম্ভ’ ধারাবাহিকে তাঁকে দেখা যাবে রানি সম্ভাবীজার ভূমিকায়।

এত দিন পর ফিরছেন তাও আবার ছোট পরদায়! মধুর কথায়, ‘‘২০১১ সালে ‘লভ ইউ কলাকার’-এর পর আর হিন্দি ছবিতে কাজ করিনি। অথচ মুম্বয়েই থাকি। আসলে মনের মতো চরিত্র পাইনি। এই কাজটা করার পিছনে সবচেয়ে বড় কারণ পরিচালক গোল্ডি বহেল। এর আগে অনেকে কাজ করতে চাইলেও, অডিশন বা লুক টেস্টের কথা বলতেন। সেখানেই আমার আপত্তি ছিল। এত দিন পর আর যোগ্যতার পরীক্ষা দিতে রাজি নই। যদিও শুনি আজকাল সব অভিনেতাই অডিশন দেন। এখানে সে রকম কোনও শর্ত দেওয়া হয়নি বলেই রাজি হয়েছি।’’ 

রুপোলি দুনিয়াকে মিস করেননি? ‘‘একটা সময় পাঁচ ভাষায় কাজ করছিলাম। ক্লান্ত লাগছিল। তার পর মনের মানুষকে পেয়ে গেলাম। বিয়ে, সন্তান, সংসার করার কিছু দিন পর থেকে সিনেমা জগৎটা মিস করতে থাকি। অস্বীকার করব না খ্যাতি, টাকা এগুলোর নেশা খুব তাড়াতাড়ি হয়ে যায়। আর সহজে পিছু ছাড়ে না,’’ স্পষ্ট জবাব মধুর।

তাঁর মেয়েরা কিন্তু মায়ের ছবি দেখে না। জানালেন, ছবিতে মা অন্য কারও সঙ্গে রোম্যান্স করলে তারা রেগে যায়। ‘যশবন্ত’ ছবিতে মধুকে চড় মারার দৃশ্য ছিল নানা পটেকরের। সেটা দেখেও মেয়েরা রেগে যায়। তবে তাঁর ব়়ড় মেয়ে অভিনেত্রী হতে চায়। মধু অবশ্য বলে দিয়েছেন, পড়াশোনা শেষ হয়ে যাওয়ার পর বাকি সব কিছু।

মধু যে সময়টায় কাজ করেছেন তখন মিডিয়ার এত রমরমা ছিল না। তারকাদের উপর মিডিয়ার নজর এখন ২৪ ঘণ্টা। এই বদলটা কেমন ভাবে দেখছেন? মধু অবশ্য বিষয়টা ইতিবাচক ভাবেই নিলেন। বললেন, ‘‘আমাদের সময়ে যদি মিডিয়া এতটা সোচ্চার হতো তা হলে আরও অনেক বেশি জনপ্রিয় হতাম। তবে এখনও পার্টিতে কেউ আমার ছবি তুললে মন্দ লাগে না।’’