যুদ্ধ, দেশাত্মবোধের ছবি আমাকে বেশি টানে

জে পি দত্ত

ওয়ার ফিল্ম নিয়ে ট্রিলজি বলিউডে কেন, ভারতে আর কোনও পরিচালক করেননি। ‘পল্টন’ দিয়ে সেই পথেই হাঁটছেন পরিচালক জে পি দত্ত। আসল নাম জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত। যাঁর ঝুলিতে ‘বর্ডার’ এবং ‘এলওসি কার্গিল’-এর মতো ছবি রয়েছে।

ওয়ার ফিল্মের বাইরে অন্য ধারার ছবি কি তাঁর পছন্দ নয়? ‘‘আমি সব ধরনের ছবি দেখে থাকি। কিন্তু যুদ্ধ, দেশাত্মবোধের ছবি আমাকে বেশি টানে। কেরিয়ারের শুরুর দিকে অন্য ধরনের কাজও করেছি। ‘গুলামি’, ‘বটওয়ারা’ সবই অন্য ধরনের ছবি,’’ বক্তব্য প্রবীণ পরিচালকের।

তবে কেরিয়ারের সেরা হিট কিন্তু ‘বর্ডার’, ‘এলওসি কার্গিল’ এবং ‘রিফিউজি’ থেকেই পেয়েছেন জে পি। জানালেন, আর্মি পরিবারে ব়়ড় হওয়ার কারণে এই বিষয়গুলোর প্রতি তাঁর স্বাভাবিক আকর্ষণ ছিল। তাই আটষট্টি বছর বয়সেও ‘পল্টন’-এর মতো ব়়ড় ক্যানভাসের ছবি করার ঝক্কি নিচ্ছেন। প্রশ্নটা করতেই বললেন, ‘‘সিনেমাই যেখানে প্যাশন, সেখানে বয়সটা গুরুত্ব পায় না। ঈশ্বর আমাকে সেই শক্তি দিয়েছেন।’’

পরিচালকের শেষ ছবি ছিল ২০০৬ সালে। ১২ বছর সময় লাগল ফ্লোরে ফিরতে? ‘‘অন্য একটা ছবির পরিকল্পনা করেছিলাম। হল না। আর্থিক সমস্যা তৈরি হল। তার পরে ‘পল্টন’-এর ভাবনা মাথায় এল। এত বড় ক্যানভাসের ছবির রিসার্চ, স্ক্রিপ্ট করতে অনেকটা সময় লাগে,’’ বক্তব্য পরিচালকের।

তাঁর ছবিগুলোর মধ্যে কোনটা সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং ছিল? ‘‘আমার মতে, ‘এলওসি কার্গিল’। চার ঘণ্টার ছবি। শারীরিক ও মানসিক ভাবে বিধ্বস্ত হয়ে গিয়েছিলাম। অনেক উচ্চতায় কম অক্সিজেনের মধ্যে শুট করতে হয়েছিল,’’ অভিজ্ঞতার বর্ণনায় বলছিলেন জে পি। তাঁর অন্যান্য ছবির মতো ‘পল্টন’-এও অঁসম্বল কাস্ট। জ্যাকি শ্রফ, অর্জুন রামপাল, সোনু সুদ, গুরমিত চৌধুরীরা আছেন ছবিতে।