ছবি: প্রতীকী।
চাকরির জন্য এক শহর থেকে অন্য শহরে তল্পিতল্পা গুটিয়ে হাজির হয়েছিলেন আইআইএমের স্নাতক। এমবিএতে স্নাতক হওয়ার পরই তাঁর কাছে চাকরির প্রস্তাব আসে। সেই প্রস্তাবে হাতে চাঁদ পেয়েছিলেন তরুণী। তড়িঘড়ি দিল্লি রওনা দিয়েছিলেন তিনি। রাজধানী শহরে আসার পর অফিসে পৌঁছোতেই মাথায় বাজ পড়ল তরুণীর। এক শহর থেকে অন্য শহরে এসে বাড়িভাড়া ও আনুষঙ্গিক খরচবাবদ ৭৫ হাজার টাকা খরচ করেও চাকরিতে যোগ দিতে পারলেন না তরুণী। সেই দুঃস্বপ্নের মতো অভিজ্ঞতার কথা তিনি ভাগ করে নিয়েছেন সমাজমাধ্যমে। ভাইরাল হয়েছে তাঁর পোস্টটি। যদিও এই পোস্টের সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
‘জ্যাক’স স্মার্কিং রিভেঞ্জ’ নামের পেজের একটি পোস্ট অনুসারে, তরুণী এমবিএ শেষ করার পর পরই ২০২৬ সালে একটি চাকরি পেয়েছেন। তিনি একটি অফার লেটার এবং যোগদানের তারিখ সম্পর্কেও জানতে পেরেছিলেন। চাকরিটি তাঁর জন্য অপেক্ষা করছে, এই আত্মবিশ্বাসে বাড়ি বদলানোর জন্য ৭৫,০০০ টাকা খরচ করে ফেলেন তিনি। কিন্তু ব্যাপারটা তেমন ছিল না। অফিসের ঠিকানায় পৌঁছে তরুণী দেখেন সেটি তালা দেওয়া। কয়েক দিন পর তাদের জানানো হয় যে, অফিসটিতে লিজ় সংক্রান্ত জটিলতার কারণে তা ব্যবহার করা সম্ভব হয়নি। কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করার অনুমতি দেওয়া হবে। তরুণীর ১১ মে বাড়ি থেকে কাজ শুরু করার কথা ছিল। বাস্তবে তা শুরু হয়নি। অবশেষে তাদের জানানো হয় যে, জুলাই মাসেই তাঁরা কাজে যোগ দিতে পারবেন।
তরুণীর দাবি, এই সব কিছু যদি তাঁকে আগে থেকে বলা হত, তাহলে তাঁর এত খরচ হত না। তাঁকে সংস্থা থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল যে স্থানান্তরের খরচ পরিশোধ করা হবে। আতান্তরে পড়ে তিনি এমডি এবং সিইওকে ফোন করেন। কিন্তু তিনি তরুণীকে ব্লক করে দেন। এখন তাঁর কথা শোনার মতো কেউ নেই বলে জানিয়েছেন তরুণী।