ছবি: ইনস্টাগ্রাম।
সমাজমাধ্যমে প্রায়ই নাচনাচি, মারামারি বা প্র্যাঙ্কের ভিডিয়ো ভাইরাল হয়। কিন্তু কখনও কখনও এমন ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসে যা মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। সমাজমাধ্যমে তেমনই একটি আবেগঘন এবং হৃদয়স্পর্শী ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছে, যা চোখে জল এনে দিয়েছে নেটপাড়ার। ভিডিয়োটি এক জন বয়স্কা মহিলার, যিনি তাঁর জীবনের ৮৭ বছর পর্যন্ত কখনও সমুদ্র দেখেননি। যখন তাঁর পরিবার সেই ইচ্ছা পূরণ করে, তখন বৃদ্ধার মুখে যে হাসি ফুটে উঠেছে তা সমাজমাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষের মন জয় করে নিয়েছে। যদিও সেই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
৮৭ বছর বয়সি ওই বৃদ্ধার স্বপ্নপূরণের বর্ণনা দিয়ে ভিডিয়োটি শেয়ার করেছেন তাঁর নাতনি হার্শি ইনেনি। সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, এক বৃদ্ধা তাঁর পরিবারের সঙ্গে প্রথম বার সমুদ্রসৈকতে এসেছেন। তাঁর মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। সৈকতে শীতল বাতাস উপভোগ করছেন তিনি। পরিবারের সঙ্গে মিলে ঢেউয়ের ওঠা-নামার দিকে তাকিয়ে রয়েছেন। ৮৭ বছর বয়সে প্রথম বারের মতো সামনে বিশাল সমুদ্র দেখাটা বৃদ্ধার জন্য ছিল এক আবেগঘন মুহূর্ত। পরিবারের সবাইকেও তাঁর চারপাশে দাঁড়িয়ে মুহূর্তটি উপভোগ করতে দেখা যায়। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে।
ভাইরাল ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে ‘হার্শি_ভাইবস’ নামের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডল থেকে। হার্শি ক্যাপশনে ব্যাখ্যা করেছেন যে, তাঁর ঠাকুরমা জীবনের ৮৭ বছর পরিবার এবং অন্যদের সেবা করে কাটিয়েছেন। এই কারণে তিনি কখনও নিজের জন্য বাঁচার বা সমুদ্র দেখার সুযোগ পাননি। যখন পরিবার এই কথা জানতে পারে, তখন তারা সিদ্ধান্ত নেয় যে ঠাকুরমার ইচ্ছা অপূর্ণ থাকতে দেবে না। তাই পুরো পরিবার তাঁকে সমুদ্রতীরে নিয়ে গিয়েছিল। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। ভিডিয়োটি দেখার পর এক নেটাগরিক লিখেছেন, ‘‘ভিডিয়োটি সত্যিই আমার মন ভাল করে দিয়েছে! কী সুন্দর একটি পরিবার!’’ অন্য এক জন লিখেছেন, ‘‘যখন আপনি আপনার পরিবারের মুখে এমন আনন্দ ফুটিয়ে তোলেন, তখন জীবনকে খুব সহজ মনে হয়।’’ তৃতীয় এক নেটাগরিক আবার মন্তব্য করেছেন, ‘‘ভিডিয়োটি দেখার পর আমার মনে হল, আমার ঠাকুরমাকে নিয়ে কোথাও ঘুরতে যাওয়া উচিত।’’