Viral Video

উদ্যানে ঘুরতে যাওয়ার মজা বদলাল কান্নায়, ছুটে এসে কিশোরের পেটে লাথি মারল যন্ত্রমানব! ভাইরাল চিনের ভিডিয়ো

গালিচার উপর নানা রকম অঙ্গভঙ্গি করে দেখাচ্ছে এক রোবট। সেই রোবটের কীর্তি দেখতে ভিড় জমিয়েছে খুদেরা। এক পাশে সারি ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছে কিশোর-কিশোরীরা। সকলের মুখে হাসি।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬ ১৩:১১
Share:

ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।

ছুটির দিনে পরিবারের সঙ্গে বোটানিক্যাল গার্ডেন ঘুরতে গিয়েছিল এক কিশোর। ইচ্ছা ছিল সকলের সঙ্গে মজা করে দিনটি কাটানোর। পরিকল্পনামাফিকই এগোচ্ছিল সব কিছু। তা বিগড়ে গেল সেই উদ্যানে হওয়া রোবটের অনুষ্ঠান দেখতে গিয়ে। কী ঘটল? সেই ঘটনার ভিডিয়োই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। ভিডিয়ো অনুসারে ঘটনাটি ঘটেছে চিনের জ়িনজিয়াঙের উরুমকি বোটানিক্যাল গার্ডেনে।

Advertisement

ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, উদ্যানের কিছুটা জায়গায় বাঁধা হয়েছে প্যান্ডেল। নীচে পাতা রয়েছে গালিচা। সেই গালিচার উপর নানা রকম অঙ্গভঙ্গি করে দেখাচ্ছে এক রোবট। সেই রোবটের কীর্তি দেখতে ভিড় জমিয়েছে খুদেরা। এক পাশে সারি ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছে কিশোর-কিশোরীরা। সকলের মুখে হাসি। কেউ হাততালি দিচ্ছে। বাচ্চাদের ভিড়ে দেখা গেল বেশি কিছু তরুণ-তরুণীকেও। তাঁরা হাতে মোবাইল নিয়ে দাঁড়িয়ে রোবটটির ভিডিয়ো করছেন। রঙিন গালিচা ধরে হাত-পা ছুড়তে ছুড়তে রোবটটি এগিয়ে গেল। তার পরই ঘটাল এক ভয়াল কাণ্ড। পাশে দাঁড়িয়ে থাকা এক নাবালকের পেটে লাথি মারল রোবটটি। বাচ্চাটি কাঁদতে কাঁদতে পেট চেপে নীচে বসে পড়ল। কিশোরের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বন্ধু তাকে টেনে সরিয়ে আনল। আশপাশে বাচ্চারা তা দেখে হাসতে শুরু করল। কিন্তু বড়রা কেউ এগিয়ে এল না সেই অসহায় কিশোরের কাছে। হয়তো সকলের চোখের আড়ালেই এই কাণ্ড ঘটিয়ে বসল রোবট। সেই ভিডিয়োই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়।

‘মারিয়ো নৌফাল’ নামের এক্স হ্যান্ডল থেকে ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিয়োটি ভাইরালও হয়েছে। ইতিমধ্যে ৪০ লক্ষেরও বেশি বার ভিডিয়োটি দেখে ফেলা হয়েছে। প্রায় ৫১ হাজার নেটাগরিক ভিডিয়োটিতে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। নানা রকমের মন্তব্যে ভরে গিয়েছে ভিডিয়োটির মন্তব্যবাক্স। এক নেটাগরিক মন্তব্য করেছেন, ‘‘রোবটের লাথি খেয়ে শিশুটি ব্যথায় কেঁদে ওঠার পরও মানুষেরা রোবটের খেলাই দেখে চলছেন কেন? শিশুটির কান্না শুনে কেউ এগিয়ে যেতে পারলেন না?’’

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement