West Bengal Weather Update

৪০-৫০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস কলকাতায়! ভিজবে দক্ষিণের বাকি জেলাও, কবে থেকে বৃষ্টি?

কলকাতায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। একই পূর্বাভাস রয়েছে হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায়।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৪ মে ২০২৬ ১১:৫৫
Share:

কলকাতায় ঝড়বৃষ্টি হতে পারে আগামী সপ্তাহে। —ফাইল চিত্র।

তীব্র গরমে হাঁসফাঁস দশা দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ অংশে। রোদের তাপে তেতে উঠেছে কলকাতার রাস্তাঘাট। বৃষ্টির দেখা নেই। জ্যৈষ্ঠের এই অস্বস্তির মধ্যেই অবশেষে আশার কথা শোনাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। আগামী সপ্তাহেই কলকাতায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ভিজবে দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাও। তার ফলে তাপমাত্রাও কিছুটা কমবে।

Advertisement

হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার থেকে কলকাতায় বৃষ্টি হতে পারে। শনিবার পর্যন্ত তা চলবে বলে পূর্বাভাস। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। সেই পূর্বাভাস রয়েছে হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। এ ছাড়া, দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে রবিবার থেকেই ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিক্ষিপ্ত ভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পাশাপাশি ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে সর্বত্র। তবে সেই সঙ্গে থাকবে গরমের অস্বস্তিও। নদিয়ায় বুধবার থেকে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

উত্তরবঙ্গে ঝড়বৃষ্টি চলছে। আপাতত বুধবার পর্যন্ত টানা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে উত্তরের জেলাগুলিতে। ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে। আলিপুরদুয়ারে হতে পারে অতি ভারী বর্ষণও। বৃষ্টির সঙ্গে সঙ্গে এই সমস্ত জেলায় ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা রয়েছে।

Advertisement

আগামী চার দিন দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রার তেমন কোনও হেরফের হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তার পরের তিন দিনে দুই থেকে তিন ডিগ্রি পারদ নামতে পারে। রবিবার কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৯.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে তিন ডিগ্রি বেশি। শনিবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হয়েছিল ৩৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ০.২ ডিগ্রি বেশি।

দক্ষিণ বিহারের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। সমুদ্রতল থেকে তার উচ্চতা ০.৯ কিলোমিটার। এ ছাড়া, উত্তর-দক্ষিণ অক্ষরেখা বিহারের ঘূর্ণাবর্তের উপর দিয়ে ঝাড়খণ্ড, ছত্তীসগঢ়, ওড়িশা হয়ে উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত। এর প্রভাবে বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প স্থলভাগে ঢুকছে। তাই রাজ্যের নানা প্রান্তে ঝড়বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি রয়েছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement