Suvendu Adhikari's Administrative Meeting

দিদিকে ছেড়ে যাওয়ার পরদিনই শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠকে দুই তৃণমূল সাংসদ দেব এবং জুন! রয়েছেন বিদ্রোহী বিধায়কেরাও

সোমবার লোকসভায় তৃণমূলের সংসদীয় দলেও বিভাজন স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। বিদ্রোহী সাংসদেরা সোমবার দফায় দফায় বৈঠক করেছেন। দুপুরে বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে, তার পরে সন্ধ্যায় বিদ্রোহী সাংসদ শতাব্দী রায়ের বাড়িতে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুও গিয়েছিলেন দু’জায়গাতেই।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬ ১৪:৫৯
Share:

কোলাঘাটে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠক। — নিজস্ব চিত্র।

শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক সভায় হাজির হলেন লোকসভায় তৃণমূলের দুই বিদ্রোহী দেব এবং জুন মালিয়া। মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন জোড়াফুলের বিদ্রোহী বিধায়ক শিউলি সাহাও।

Advertisement

বিধানসভায় তৃণমূলের পরিষদীয় দলে ভাঙন ধরেছে আগেই। দলীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে পরিষদীয় দলের নেতা হিসাবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বেছে নিয়েছেন ৫৮ জন বিধায়ক। সোমবার লোকসভায় তৃণমূলের সংসদীয় দলেও বিভাজন স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। বিদ্রোহী সাংসদেরা সোমবার দফায় দফায় বৈঠক করেছেন। দুপুরে বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে, তার পরে সন্ধ্যায় বিদ্রোহী সাংসদ শতাব্দী রায়ের বাড়িতে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুও গিয়েছিলেন দু’জায়গাতেই। দেবও গতকাল দিল্লিতেই ছিলেন।

সংসদীয় দলে ভাঙনের ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই এ বার পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর ডাকা প্রশাসনিক বৈঠকে হাজির হলেন দুই বিদ্রোহী সাংসদ দেব এবং জুন। প্রশাসনিক সভায় প্রবেশের আগে বিদ্রোহী বিধায়ক শিউলি বলে গেলেন, “কী হয় দেখতে থাকুন।” রাজ্য রাজনীতির সাম্প্রতিক পরিস্থিতির নিরিখে বিধায়কের এই মন্তব্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

Advertisement

উল্লেখ্য, নতুন সরকার দায়িত্বে আসার পরেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদেরও আমন্ত্রণ করবেন। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনের মধ্যে কাজের সমন্বয় থাকা উচিত বলে মনে করেন তিনি। মঙ্গলবার কোলাঘাটের এই প্রশাসনিক বৈঠক হচ্ছে মূলত তিনটি জেলাকে নিয়ে— দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম। দেব ঘাটালের সাংসদ, জুন মেদিনীপুরের এবং শিউলি কেশপুরের বিধায়ক। জেলাগুলিতে উন্নয়নমূলক কাজে গতি আনতে সংশ্লিষ্ট জেলার দলমত নির্বিশেষে বিধায়ক-সাংসদদের নিয়ে এগোনোর বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে তৃণমূলের নির্বাচনী ভরাডুবি এবং তার পরবর্তী সময়ে দলে ভাঙন এবং বিদ্রোহের প্রেক্ষিতে দেব-জুন-শিউলিদের উপস্থিতির গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

এর আগে কল্যাণীতে তিন জেলাকে নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই বৈঠকে হাজির ছিলেন বারাসতের বিদ্রোহী সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। সঙ্গে বেশ কয়েক জন বিধায়কও যোগ দিয়েছিলেন বৈঠকে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement