হোয়াইট হাউসের সামনে এলোপাথাড়ি গুলি চালান এক যুবক। ছবি: এক্স।
হোয়াইট হাউসের সামনে শুটআউট। ব্যাগ থেকে বন্দুক বার করে আচমকা গুলি চালাতে শুরু করেন এক যুবক। এলোপাথাড়ি গুলিতে জখম হন পথচলতি এক জনও। তবে আমেরিকার সিক্রেট সার্ভিস আধিকারিকদের পাল্টা গুলিতে ওই বন্দুকবাজ নিহত হয়েছেন। গোটা ঘটনার সময় হোয়াইট হাউসের ভিতরেই ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বন্দুকবাজের নিশানায় ট্রাম্প ছিলেন কি না, কী উদ্দেশ্যে তিনি হোয়াইট হাউসের সামনে গুলি চালালেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সিক্রেট সার্ভিসের তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে ঘটনা ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তারা লিখেছে, ‘‘শনিবার সন্ধ্যা ৬টার পর (আমেরিকার সময়) ১৭ স্ট্রিট এবং পেনসিলভ্যানিয়া অ্যাভিনিউ এলাকায় এক যুবক ব্যাগ থেকে অস্ত্র বার করে গুলি চালাতে শুরু করেন। সিক্রেট সার্ভিসের পুলিশ পাল্টা গুলি চালায়। বন্দুকবাজের গায়ে গুলি লাগে। তাঁকে নিকটবর্তী একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনার সময় রাস্তার পাশে এক জন জখম হয়েছেন।’’ বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, সিক্রেট সার্ভিসের আধিকারিকদের কারও গুলি লাগেনি। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঘটনার সময় হোয়াইট হাউসে ছিলেন। তাঁর নিরাপত্তা বা কর্মসূচিতে এর কোনও প্রভাব পড়েনি।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, বন্দুকবাজের নাম নাসাইর বেস্ট। আনুমানিক ২১ বছর বয়সি ওই যুবক কেন হঠাৎ গুলি চালালেন, খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে থাকাকালীন এত কাছে গুলি চলার মতো ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। ট্রাম্পের নিরাপত্তা নিয়েও আশঙ্কা রয়েছে। এই নিয়ে গত এক মাসে তিন বার ট্রাম্পের কাছাকাছি গুলি চলল। যদিও প্রেসিডেন্ট নিজে কোনও ভাবে জখম হননি। গত এপ্রিলে হোয়াইট হাউসের নৈশভোজে বন্দুক নিয়ে ঢুকে পড়েছিলেন এক যুবক। গুলিও চালিয়েছিলেন ভিড়ে ঠাসা এলাকায়। তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে চলতি মাসের শুরুর দিকে ওয়াশিংটন মনুমেন্টে অনুরূপ ঘটনা ঘটে।
শনিবারের ঘটনায় পথচলতি যে ব্যক্তি জখম হয়েছেন, তিনি বন্দুকবাজের গুলি না সিক্রেট সার্ভিসের গুলিতে বিদ্ধ হয়েছেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার তদন্তে সক্রিয় হয়েছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই-ও।