এ বছর ৬৬ পল্লি ফিরিয়ে আনল একান্নবর্তী পরিবারের হারাতে বসা স্বাদ। যার সবটুকু জুড়ে পরিবারের সবাই একসঙ্গে বসে খাওয়াদাওয়া, হইচই, খুনসুটি, ভাইবোনেদের সঙ্গে বেড়ে ওঠার গল্প। ৬৬ পল্লির পুজোয় এ বারের ভাবনা ও সৃজনে রয়েছেন পূর্ণেন্দু দে। আলোকসজ্জায় পিনাকী গুহ। থিমের নাম এক-অন্ন-বর্তী।
থিমের নাম এক-অন্ন-বর্তী
আরও পড়ুন:
দিন যত গড়াচ্ছে, ক্রমশ হারানোর খাতায় নাম লেখাচ্ছে একান্নবর্তী পরিবার। এ সময়ের বেশির ভাগ শিশুই অণু পরিবারে বেড়ে ওঠে। যার ফলে দাদু-ঠাকুমার ভালবাসা, কাকা-জেঠার আদর থেকে অনেকটাই বঞ্চিত থাকে তারা। পরিবারের ভাল-খারাপ সব সময়ে জোট বেঁধে থাকাটাও হয়ে ওঠে না। যার প্রভাব পড়ছে শিশুদের উপরে। ছোট কোনও সমস্যাও বাবা অথবা মাকে না বলে নিজের মধ্যে রেখে দিচ্ছে অনেকেই। আবার বহু ক্ষেত্রে কাজের চাপে বাবা, মা-ও সন্তানকে সময় দিয়ে উঠতে পারছেন না। এমন নানা কারণে ইদানীং ছোটদের মধ্যেও বাসা বাঁধছে একাকিত্ব, অবসাদের মতো সমস্যা। তেমন পরিস্থিতি হলে লড়াই করার লড়াই করার বদলে আত্মহত্যার প্রবণতাও বাড়ছে।
অথচ নিউক্লিয়ার পরিবারের এই অসম্পূর্ণতাই পূর্ণ করে দিতে পারেন দাদু ঠাকুমা-সহ আরও অনেকে। একা হয়ে পড়ার মতো সমস্যাকে রুখে দিতে পারেন সকলে মিলে। তাই মানুষের মনে সচেতনতা জাগাতে এবং পুরনো একান্নবর্তী পরিবারের আবেগকেই ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেছে ৬৬ পল্লি। যা দেখতে দেদার ভিড় জমছে চতুর্থী থেকেই।
এই প্রতিবেদনটি 'আনন্দ উৎসব' ফিচারের একটি অংশ।