Fuel Crisis

একলপ্তে তেল কেনায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা, মোবাইল পরিষেবায় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা

যদিও দেশে জ্বালানির মজুত যথেষ্ট বলে এ দিন ফের আশ্বস্ত করেছেন তেলমন্ত্রী দরদীপ সিংহ পুরী। তাঁর দাবি, ২০২২ সালের মে থেকে এ বছর মে পর্যন্ত বিভিন্ন দেশের তেলের দাম বাড়লেও, ভারতে কমেছে ৩.১%। পেট্রলের চড়া দাম তো আছেই।

নিজস্ব প্রতিবেদন
শেষ আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬ ০৭:৩৩

— প্রতীকী চিত্র।

সাধারণ পাম্প থেকে একলপ্তে বেশি পেট্রল-ডিজ়েল কেনায় (বাল্ক) নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কেন্দ্র। এই সিদ্ধান্তে দেশে মোবাইল পরিষেবা বিঘ্নিত হতে পারে বলে আশঙ্কা টেলিকম টাওয়ার পরিচালনকারীদের সংগঠন ডিপা-র। শনিবার বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত জানিয়ে টেলিকম দফতরকে (ডট) চিঠি দিয়েছে তারা। ইন্দাস টাওয়ার-সহ দেশের সব বড় মোবাইল টাওয়ার পরিচালন সংস্থাগুলি ডিপা-র সদস‍্য।

যদিও দেশে জ্বালানির মজুত যথেষ্ট বলে এ দিন ফের আশ্বস্ত করেছেন তেলমন্ত্রী দরদীপ সিংহ পুরী। তাঁর দাবি, ২০২২ সালের মে থেকে এ বছর মে পর্যন্ত বিভিন্ন দেশের তেলের দাম বাড়লেও, ভারতে কমেছে ৩.১%। পেট্রলের চড়া দাম তো আছেই। তার সঙ্গে বিমার খরচ, জাহাজ ভাড়া, কেন্দ্রের উৎপাদন শুল্ক ও রাজ্যের যুক্তমূল্য কর যোগ হয়েও এখানে দাম কমেছে। এর কারণ ২০২১-এর নভেম্বর থেকে তিন বার উৎপাদন শুল্ক ছাঁটাই। পাশাপাশি, কালোবাজারি রুখতে বাল্ক তেল কেনায় কড়াকড়ি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

চিঠিতে ডিপা-র দাবি, বিদ‍্যুৎ বিভ্রাট হলে টাওয়ারগুলিকে সচল রাখতে যতটা ডিজ়েল লাগে, তা অনেক সময়েই পাম্পে সরকার নির্ধারিত সীমার (২০০ লিটার) চেয়ে বেশি। সেই তেল কেনা হয় খোলা বাজার থেকেই। এই নির্দেশের পরে আর যা করা সম্ভব নয়। ফলে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মতো ঘটনায় বিস্তীর্ণ এলাকায় মোবাইল পরিষেবা সম্পূর্ণ সচল রাখা নিয়ে সমস‍্যা তৈরি হবে। তাই এ নিয়ে কেন্দ্রের পদক্ষেপের আর্জি জানিয়েছে তারা। পাশাপাশি, ২০০ লিটারের সীমা তুলে দেওয়া-সহ তাদের জন‍্য আলাদা কিছু ব‍্যবস্থার আবেদনও করেছে সংগঠনটি।

আরও পড়ুন