—প্রতীকী চিত্র।
অশোধিত তেল উৎপাদনের প্রাণ কেন্দ্রপশ্চিম এশিয়া। তাই সেখানকার সরবরাহ কমলে বিশ্ব বাজারে তারদাম বৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি হয়। ইরানেরউপরে শনিবার ইজ়রায়েল ও আমেরিকার যৌথ আক্রমণ সেই আশঙ্কাই উস্কে দিল বিশ্ব জুড়ে। মূলত ভারতের মতো তেল আমদানিকারী দেশগুলির। ইরান-আমেরিকার মধ্যেঅশান্তি বাড়তে থাকায় ক’দিন ধরে অশোধিত তেলের ব্যারেল ছিল ৭০-৭১ ডলারে। শনিবার পৌঁছয় ৭৩ ডলারে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতি শীঘ্রই দামকে ৮০ ডলারের উপরে ঠেলে দিতে পারে। একাংশের আশঙ্কা তা উঠতে পারে ১০০ ডলার পর্যন্ত। কারণ, পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে আমেরিকার সেনা সদরে তেহরানের পাল্টা হামলার জেরে গোটা অঞ্চলই অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে।
সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, সব থেকে উদ্বেগের জায়গা হল হরমুজ প্রণালী। বিশ্ব বাজারে মোট অশোধিত তেলের ২০%-২২% এই পথ দিয়ে যায়। যুদ্ধ পরিস্থিতির ফলে ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহির মধ্যে অবস্থিত এই জলপথ দিয়ে বাণিজ্য বন্ধ হতে পারে। এতে পশ্চিম এশিয়া থেকে তেল রফতানি বাধা পাবে। রুশ-তেল আমদানি কমায় যেহেতু পশ্চিম এশিয়ায় নির্ভরশীতা বেড়েছে। তই ভারতের আমদানির খরচ বাড়বে। তাতে দেশে পেট্রল-ডিজ়েলের খুচরো দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি হবে। সূত্রের দাবি, যে কারণে পরিস্থিতির উপরে কড়া নজর রাখছে নয়াদিল্লি।