বাজেট পেশ করছেন নির্মলা। ছবি: পিটিআই।
বাজেটে নারকেল চাষের উন্নতির জন্য বিশেষ প্রকল্পের ঘোষণা করলেন করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।
অর্থমন্ত্রী জানালেন, ভারতের বাইরে বসবাসকারী ব্যক্তিদের পোর্টফোলিয়ো বিনিয়োগ প্রকল্পের মাধ্যমে ইকুইটিতে বিনিয়োগ করার অনুমতি দেওয়া হবে। ব্যক্তিগত সীমা ৫% থেকে বাড়িয়ে ১০% করার প্রস্তাব করা হয়েছে, যেখানে এই ধরনের সমস্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য সম্মিলিত সীমা ১০% থেকে বাড়িয়ে ২৪% করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এই পরিবর্তনের ফলে ব্যক্তিগত বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ভারতীয় সংস্থাগুলিতে আরও অর্থবহ অংশীদার হতে পারেন।
কর্পোরেট বাজারকে উৎসাহিত করার জন্য সরকার একটি বাজার-নির্মাণ কাঠামো চালু করবে বলে ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সহ অত্যাধুনিক প্রযুক্তি চাকরির উপর কতটা প্রভাব ফেলছে, তার মূল্যায়ন করতে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি তৈরি করা হচ্ছে। বাজেটে জানালেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।
নির্মলা জানালেন, তিনটি ‘অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ আয়ুর্বেদ’ তৈরি হবে দেশে। সারা দেশে ১৬ হাজার নতুন সেকেন্ডারি স্কুল তৈরি হবে। প্রতি জেলায় তৈরি হবে একটি করে মহিলাদের হস্টেল।
আগামী পাঁচ বছরে ২০টি নতুন জাতীয় জলপথ চালু করার পরিকল্পনা সরকারের। জলপথের ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান তৈরি করা হবে। অভ্যন্তরীণ জলপথের জন্য জাহাজ মেরামতের বাস্তুতন্ত্র বারাণসী এবং পটনায় তৈরি হবে।
নির্মলা জানালেন, পরিষেবা ক্ষেত্রে বিশ্বের ১০ শতাংশ বাজার দখল করার লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে। এর জন্য বিশেষ কমিটি তৈরি করা হবে।
২০২৬-’২৭ অর্থবর্ষের জন্য মূলধনি ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা ১২.২ লক্ষ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারি মূলধনি ব্যয় বহুগুণ বেড়ে ১১ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।
২০২৬-’২৭ আর্থিক বছরের বাজেট ঘাটতির পরিমাণ ৪.৪ শতাংশ, লোকসভায় জানালেন নির্মলা সীতারমণ।
বাংলার জন্য বড় ঘোষণা। ডানকুনিতে তৈরি হবে পণ্য পরিবহণের বিশেষ করিডর। একই করিডর তৈরি হবে সুরতেও। সাতটি হাইস্পিড রেল করিডর তৈরি করা হবে, যার মধ্যে একটি হবে শিলিগুড়িতে।
ভারতের ‘সেমিকন্ডাক্টর মিশন ২.০’ সেমিকন্ডাক্টরের জন্য শিল্প-নেতৃত্বাধীন গবেষণা এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলিতে মনোনিবেশ করবে। জানালেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। সেমিকন্ডাক্টর মিশনের গতিকে পুঁজি করে ব্যয় করা হবে ৪০,০০০ কোটি টাকা। বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃত্রিম মেধা বা এআইয়ের ব্যবহার বাড়ানো হবে।
আমরা মনে করি খেলাধুলো সংক্রান্ত সরঞ্জাম তৈরিতে ভারত বিশ্বের সেরা হয়ে উঠতে পারে। বাজেট পেশের সময় মন্তব্য নির্মলার। ক্ষুদ্র উদ্যোগগুলিতে সহায়তা অব্যাহত রাখার জন্য ‘আত্মনির্ভর ভারত’ তহবিলে ২০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ‘বিকশিত ভারতের’ জন্য ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত উচ্চ-স্তরের কমিটি তৈরি করা হবে।
ওড়িশা, কেরল, অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ুতে বিরল ধাতুর হাব তৈরি হবে। খনিতে জোর দেওয়ার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে বলে জানালেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। বস্ত্রশিল্পে বিশেষ নজর দেওয়ার কথা জানালেন নির্মলা। খাদি বস্ত্রের ব্যবসা বৃদ্ধির জন্য মহাত্মা গান্ধী গ্রাম স্বরাজ প্রকল্প চালু করার সিদ্ধান্ত। তৈরি হবে মেগা টেক্সটাইল হাব।
ভারতকে বায়ো ফার্মার হাবে পরিণত করতে তৈরি হবে ‘বায়োফার্মা শক্তি’ প্রকল্প, বরাদ্দ ১০ হাজার কোটি। জানালেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।
২০২৬ সালের বাজেট ‘যুবশক্তি’চালিত। বললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ।
২০২৬-’২৭ অর্থবর্ষের বাজেট পেশ করতে শুরু করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। নির্মলা বলেন, ‘‘আমরা এখন অনেক কম আমদানি নির্ভর। কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে। মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘আমাদের সঙ্কল্প গরিব ভারতীয়দের প্রতি দায়বদ্ধতা। সাধারণ মানুষদের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে। সকলের জন্য বিকাশ করতে হবে।’’ প্রতিটি অঞ্চলের বিকাশ সরকারের লক্ষ্য বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
লোকসভায় পৌঁছলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ।
অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ সংসদে নবম বারের জন্য বাজেট উপস্থাপন করার কিছু ক্ষণ আগে ২০২৬-’২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট অনুমোদন করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা।
নিয়মমাফিক অর্থ মন্ত্রক থেকে রাষ্ট্রপতি ভবনের উদ্দেশে রওনা হন সীতারমণ। সেখানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে দেখা করেন তিনি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার একটি বৈঠকের পরেই হবে বাজেট পেশ।
২০২৬ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট বক্তৃতার জন্যও নির্মলা বেছে নিলেন দেশের এক ঐতিহ্যবাহী বুননের রেশমের শাড়ি। অর্থমন্ত্রীর শাড়িটি খানিক মভ ঘেঁষা মেরুন রঙের। বোনা হয়েছে রেশম আর জরি দিয়ে। শাড়িটি দক্ষিণ ভারতের এক প্রদেশেরই। আর সেটাই স্বাভাবিক কারণ নির্মলা নিজেও দক্ষিণ ভারতেরই কন্যা। শাড়িটি দেখতে খানিকটা কাঞ্জিভরমের মতো হলেও আদত কাঞ্জিভরম নয়। নির্মলা পরেছিলেন রেশমের গাদোয়াল। এই শাড়ি অন্ধ্রপ্রদেশে বোনা হত। তবে আপাতত এই শাড়ির জিয়োগ্রাফিকাল আইডেন্টিফিকেশন ট্যাগ রয়েছে তেলঙ্গানার হাতে।