প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। —ফাইল চিত্র।
ভোজ্যতেল খাওয়া থেকে শুরু করে বিদেশে বেড়ানোয় রাশ টানার বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তারই বিকল্প হিসেবে ভারতে বিদেশি পর্যটক টানায় জোর দিতে বলল পর্যটন ও আতিথেয়তা শিল্প। তাদের দাবি, সেটা হলে বাড়বে বিদেশি মুদ্রা আয়। আর ভোজ্যতেল সংস্থাগুলি চায় আমদানি নির্ভরতা কমানোর পথে হাঁটুক দেশ। পাশাপাশি, আমদানির জন্য জাহাজ ভাড়ায় ভর্তুকিও চেয়েছে তারা। দাবি করেছে রফতানিকারীদের জন্য সুরাহাও।
ভোজ্যতেলের চাহিদার প্রায় ৬০% আমদানি করে ভারত। ২০২৪-২৫ বিপণনবর্ষে যার পরিমাণ ছিল ১.৬ কোটি টন। বাজারদর প্রায় ১.৬১ লক্ষ কোটি টাকা। এই শিল্পের সংগঠন এসইএ-র দাবি, এই তেলের ব্যবহার কমলে আমদানি কমবে, বাঁচবে বিদেশি মুদ্রাও। পাশাপাশি, দেশে উৎপাদন বৃদ্ধিতেও সুরাহা মিলবে। একই সঙ্গে এই শিল্পের জন্য নীতি আনার দাবি জানিয়ে কেন্দ্রকে চিঠি দিয়েছে তারা। সংগঠনের ইডি বিভি মেহতার মতে, যুদ্ধে আমদানি নিয়ে চিন্তা আছে। তার সঙ্গেই এল নিনোর প্রভাবে কৃষি ফলন ধাক্কা খেতে পারে। ফলে আমদানি কমানো ছাড়া উপায় নেই। সেই সঙ্গে জোগানশৃঙ্খল ঠিক রাখার ব্যবস্থা করা-সহ একগুচ্ছ দাবি তুলেছে এসইএ।
এ দিকে পর্যটন শিল্পের সংগঠন ফেথ-এর কর্তা রাজীব মেহরার দাবি, দেশের মানুষের উচিত প্রধানমন্ত্রীর বার্তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিদেশে বেড়ানো বা বিয়ে কমানো। পাশাপাশি, বিদেশি পর্যটক টানতে ভিসায় কড়াকড়ি কমানো, যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং বিদেশে ভারতের পর্যটন ক্ষেত্রকে তুলে ধরার বার্তাও দিয়েছেন রাজীব।