গীতা গোপীনাথ। —ফাইল চিত্র।
বিশ্ব অর্থনীতির অনিশ্চিত পরিস্থিতির মধ্যে দাঁড়িয়ে দাভোসে চলা ওয়র্ল্ড ইকনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) মঞ্চে এগিয়ে যাওয়ার বার্তা দিল ভারত। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব দাবি করলেন, আগামী পাঁচ বছরে এ দেশের প্রকৃত জিডিপি বৃদ্ধির হার ৬-৮ শতাংশ থাকবে। বর্তমান বাজারদরে তা পৌঁছতে পারে ১০-১৩ শতাংশে। কয়েক বছরের মধ্যেই দেশ তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হবে।
ডব্লিউইএফের বার্ষিক বৈঠকের এই অনুষ্ঠানে বৈষ্ণবকে সমর্থন করে অর্থনীতিবিদ গীতা গোপীনাথও মন্তব্য করেন, ২০২৮ কিংবা তারও আগে ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হয়ে ওঠা নিয়ে সন্দেহ নেই। বড় কোনও দুর্ঘটনা না ঘটলে বিষয়টি মাত্র কয়েক বছরের ব্যাপার। এমনকি, কর ব্যবস্থা ও ডিজিটাল পরিকাঠামো-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কারের প্রশংসাও করেন তিনি। তবে একই সঙ্গে আইএমএফের এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্রাক্তন ফার্স্ট ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টরের সতর্কবার্তা, ভারতের আসল চ্যালেঞ্জ হল তার মাথা পিছু আয় বৃদ্ধি।
বণিকসভা সিআইআই-এর প্রেসিডেন্ট রাজীব মেমানির দাবি, ‘‘এ দেশে মাথাপিছু আয় বিশ্বে সর্বনিম্ন। ফলে ২০৪৭-এর মধ্যে তা অন্তত পাঁচ গুণ বাড়ানো দরকার।’’ ওই বছরের মধ্যেই ভারতকে উন্নত দেশ করে তোলার লক্ষ্য কেন্দ্রের। বর্তমানে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির অর্থনীতির অধ্যাপক গীতার বক্তব্য, ‘‘(অগ্রগতির) গতি বজায় রাখা, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি এবং ২০৪৭-এ উন্নত দেশ হওয়ার লক্ষ্যই চ্যালেঞ্জ ভারতের। এ জন্য সংস্কারের গতি বাড়াতে হবে।’’ বহু জায়গায় জমি পাওয়া, কল-কারখানায় উৎপাদন বৃদ্ধির সমস্যার দিকেও আঙুল তুলেছেন তিনি।