GST

অত্যাবশ্যকীয় চিকিৎসা সরঞ্জামে জিএসটি মকুবের আর্জি জানাল আইআরএফ

প্রধানমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে জিএসটি-র হার কমানো এবং জনকল্যাণে কেন্দ্রের পদক্ষেপের প্রশংসা করেছেন আইআরএফ-এর প্রেসিডেন্ট এমেরিটাস কেকে কপিলা। তবে একই সঙ্গে তাঁর দাবি, বর্তমানে হেলমেটে ১৮% কর বসে।

সংবাদ সংস্থা
শেষ আপডেট: ২৮ মে ২০২৬ ০৮:৩৮

— প্রতীকী চিত্র।

হেলমেট, অ্যাম্বুল্যান্স এবং অত্যাবশ্যক চিকিৎসা সরঞ্জামে জিএসটি কমানো বা পুরো মকুবের বিষয়টি বিবেচনার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং জিএসটি পরিষদকে আর্জি জানিয়েছে সড়ক নিরাপত্তা উপদেষ্টা ‘ইন্টারন্যাশনাল রোড ফেডারেশন’ (আইআরএফ)। অন্য দিকে, করে সংস্কার ও আমদানি নিয়ন্ত্রণের মতো পদক্ষেপগুলি পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট থেকে ভারতকে সুরক্ষা দিতে পারে বলে মনে করছে গবেষণা সংস্থা থিঙ্ক চেঞ্জ ফোরাম বা টিসিএফ। এই পরিস্থিতিতে বুধবার পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের প্রেক্ষিতে দেশে অত্যাবশ্যক পণ্যের জোগান ও সরবরাহ ব্যবস্থার বিষয়টি খতিয়ে দেখেছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রিগোষ্ঠী। তারা জানিয়েছে, দেশে তেল-সারের জোগানে সমস্যা নেই। আমদানি এবং দেশে উৎপাদনের হাত ধরে খরিফ মরসুমের জন্য যথেষ্ট সারের মজুত নিশ্চিত করা হয়েছে। ছোট শিল্পকে দেওয়া হয়েছে সুরাহা।

প্রধানমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে জিএসটি-র হার কমানো এবং জনকল্যাণে কেন্দ্রের পদক্ষেপের প্রশংসা করেছেন আইআরএফ-এর প্রেসিডেন্ট এমেরিটাস কেকে কপিলা। তবে একই সঙ্গে তাঁর দাবি, বর্তমানে হেলমেটে ১৮% কর বসে। তা শূন্যে নামলে মানুষ কম দামে ভাল হেলমেট কিনতে পারেন। এ ছাড়া, অক্সিজেন কন্সেনট্রেটর, মনিটর, হুইল চেয়ার, ইমপ্ল্যান্ট-সহ জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জাম ও অ্যাম্বুল্যান্সে কর কমানো বা সম্পূর্ণ মকুবের অনুরোধও করেছে সংগঠনটি। কপিলার বার্তা, ‘‘হেলমেট বিলাস-দ্রব্য নয়। বরং জীবন বাঁচাতে অপরিহার্য। ...আবার জরুরি পরিস্থিতিতে অ্যাম্বুল্যান্সগুলি জীবনরক্ষক হিসেবে কাজ করে।’’ তাই কর কমলে শুধু আর্থিক বোঝা কমবে তা-ই নয়। স্বাস্থ্য পরিষেবা ও সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।

অন্য দিকে, পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতার জেরে তৈরি হওয়া সঙ্কট থেকে অর্থনীতিকে রক্ষা করতে ভারতের কৌশলগত কর সংস্কার, অনাবশ্যক আমদানিতে কঠোর নিয়ন্ত্রণ এবং বাণিজ্য বাড়ানোর জন্য দ্রুত পদক্ষেপের মতো তিন দফা কৌশল অবলম্বন করা উচিত বলে জানিয়েছে টিসিএফ। বিশেষজ্ঞদেরও পরামর্শ, অবিরাম ভর্তুকি না দিয়ে বরং আমদানি শুল্ক কাঠামো সংশোধন এবং করের বোঝা কমানোয় নজর দিক কেন্দ্র। বিশেষত, জিএসটি-র অধীনে ‘ইনভার্টেড ডিউটি স্ট্রাকচার’ (যেখানে কাঁচামালে কর পণ্যের চেয়ে বেশি) বন্ধ করা দরকার। জোর দেওয়া দরকার চকলেট,
প্রসাধনী ও তামাকজাত পণ্যের মতো অনাবশ্যক বা বিলাসবহুল সামগ্রীর আমদানি নিয়ন্ত্রণে। সংবাদ সংস্থা

আরও পড়ুন