Pakistan Stock Exchange Fall

ইরান শান্তিবৈঠক ব্যর্থ হওয়ায় ফাঁপরে পাকিস্তান, এক ধাক্কায় ৬,০০০ পয়েন্ট তলিয়ে গেল করাচির শেয়ারবাজার!

সোমবার, ১৩ এপ্রিল ফের একবার রক্তাক্ত হল পাকিস্তানের শেয়ারবাজার। এ দিন ৬,০০০ পয়েন্ট পড়ে যায় করাচির স্টকের সূচক। ইরান যুদ্ধ থামাতে ইসলামাবাদে হওয়া শান্তিবৈঠক ব্যর্থ হওয়ার জের? উঠছে প্রশ্ন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৬:৫৫
Representative Picture

—প্রতীকী ছবি।

ইরান যুদ্ধ নিয়ে শান্তিবৈঠক ব্যর্থ হতেই ফাঁপরে পাকিস্তান! করাচির শেয়ারবাজারে নামল ধস। সোমবার, ১৩ এপ্রিল এক ধাক্কায় ৬,০০০ পয়েন্ট পড়েছে সূচক। অন্য দিকে পয়লা বৈশাখের মুখে ভারতের স্টকবাজারে তেমন বেচাকেনা হয়নি বললেই চলে। এই পরিস্থিতি আগামী বেশ কয়েক দিন বজায় থাকবে বলেই মনে করছেন আর্থিক বিশ্লেষকদের একাংশ।

Advertisement

পাক গণমাধ্যম ডন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ দিন করাচির পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জ (পিএসএক্স) খোলার সঙ্গে সঙ্গেই হুড়মুড়িয়ে পড়তে শুরু করে এর বেঞ্চমার্ক সূচক কেএসই-১০০। সকাল ৯টা ৫০ মিনিট নাগাদ ১৬১,৬৩৮.০৭ পয়েন্টে নেমে আসে সেটি। উল্লেখ্য, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল বাজার বন্ধের সময় কেএসই-১০০ দাঁড়িয়েছিল ১৬৭,১৯১.৩৭ পয়েন্টে।

ডন জানিয়েছে, সোমবার দিনের শুরুটা ভাল না হলেও বেলার দিকে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ায় পিএসএক্স। সকাল ১১টা নাগাদ সূচক ১৬৩,৪২৯.৭৮ পয়েন্টে উঠেছিল, যা দিনের সর্বোচ্চ। তবে তার পরেও অস্থিরতা কাটিয়ে উঠতে পারেনি করাচির বাজার। পশ্চিম এশিয়ায় নতুন করে সংঘাত শুরু হলে কেএসই-১০০ ফের খাদে নামবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

চলতি বছরের এপ্রিলে ইরান যুদ্ধ থামাতে ইসলামাবাদ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নিতে চলেছে শোনার পর ঊর্ধ্বমুখী হয় পিএসএক্সর সূচক। ফলে করাচির বাজারের লগ্নিকারীদের মুখের হাসি চওড়া হয়েছিল। গত ৮ এপ্রিল তেহরানের সঙ্গে দু’সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় যুক্তরাষ্ট্র। ঠিক তার পরের দিন (পড়ুন ৯ এপ্রিল) কেএসই-১০০তে বৃদ্ধির অঙ্ক ১৪,০০০ পয়েন্ট অতিক্রম করে। ওই সময় নিয়ম মেনে লেনদেন কিছুক্ষণের জন্য স্থগিত করে পিএসএক্স।

অন্য দিকে এ দিন ভারতের শেয়ারবাজারের দু’টি সূচককেও নিম্নমুখী থাকতে দেখা গিয়েছে। সপ্তাহের প্রথম কাজের দিনে ৭৬,৮৪৭.৫৭ পয়েন্টে দৌড় থামিয়েছে বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের (বিএসই) সেনসেক্স। এই সূচক নেমেছে ৭০২.৬৮ পয়েন্ট। শতাংশের নিরিখে যেটা ০.৯১। দিনের শুরুতে ৭৫,৯৩৭.১৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছিল বিএসই সেনসেক্স। দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ ৭৭,০৬৩.৪১ পয়েন্টে ওঠে এই সূচক।

ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের (এনএসই) ছবিটাও প্রায় একই রকম। সেখানকার সূচক নিফটি-৫০ এ দিন ২০৭.৯৫ পয়েন্টে নেমে ২৩,৮৪২.৬৫ পয়েন্টে নেমে এসেছে। অর্থাৎ এই সূচকে পতনের পরিমাণ ০.৮৬ শতাংশ। বাজার খোলার সময়ে ২৩,৫৮৯.৬০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছিল নিফটি-৫০। দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ ২৩,৯০৭.৪০ পয়েন্টে এই সূচককে উঠতে দেখা গিয়েছে।

(বিশেষ দ্রষ্টব্য: শেয়ার বাজারে লগ্নি বাজারগত ঝুঁকি সাপেক্ষ। আর তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মেনেই স্টকে বিনিয়োগ করুন। এতে আর্থিক ভাবে লোকসান হলে আনন্দবাজার ডট কম কর্তৃপক্ষ কোনও ভাবেই দায়ী নয়।)

Advertisement
আরও পড়ুন