—প্রতীকী চিত্র।
প্রভিডেন্ট ফান্ডের ন্যূনতম মাসিক পেনশন ১০০০ টাকা থেকে বাড়ানোর বিষয়টি জরুরি ভিত্তিতে কেন্দ্রকে ভেবে দেখার জন্য সুপারিশ করল সংসদীয় কমিটি। ফলে ওই অঙ্ক বৃদ্ধির ব্যাপারে কিছুটা আশার আলো দেখছেন ন্যূনতম পেনশন নিয়ে আন্দোলনকারীরা। এই অঙ্ক ৭৫০০ টাকা ও তার সঙ্গে মহার্ঘ ভাতা চালুর দাবিতে দীর্ঘ দিন ধরে আন্দোলন চালাচ্ছেন তাঁরা। তাঁদের জাতীয় সংগঠন ইপিএস-৯৫ ন্যাশনাল অ্যাজিটেশন কমিটি সম্প্রতি দাবি আদায়ে দিল্লিতে তিন দিনের ধর্না দেয়।
সংগঠনের রাজ্য সভাপতি তপন দত্ত বলেন, ‘‘১০ বছর ধরে কেন্দ্র ন্যূনতম পেনশন বৃদ্ধির আশ্বাস দিচ্ছে। কিন্তু এখনও কিছু করা হয়নি। আজ মাসে একটা গ্যাস সিলিন্ডার কিনতেই প্রায় ১০০০ টাকা লাগে। কেন্দ্রের ভেবে দেখা দরকার, আজকের দিনে মাসে ১০০০ টাকা পেনশন পেয়ে দৈনন্দিন প্রয়োজনের কতটুকু মেটানো সম্ভব।’’ আন্দোলনকারীদের দাবি, সাধারণ পেনশনভোগীদের অসহায়তার কথা ভেবে কেন্দ্রের ঝুলিয়ে রাখা প্রস্তাব আগেই মঞ্জুর করা উচিত ছিল।’’
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, ২০১৪-এ পিএফের ন্যূনতম পেনশন ১০০০ টাকা করা হয়। তার পরে টাকার দাম থেকে জিনিসের মূল্যবৃদ্ধি, সব কিছুতেই বিরাট বদল ঘটেছে। শুধু পেনশনের অঙ্ক স্থির। একাংশের অভিযোগ, পিএফের অধীন অবসরপ্রাপ্ত বাকি পেনশনভোগীদের প্রাপ্যের হারও সংশোধিত হয়নি প্রায় ১৬ বছর ধরে। পিএফের অছি পরিষদের প্রাক্তন সদস্য দিলীপ ভট্টাচার্য মনে করাচ্ছেন, ‘‘১৯৯৫ সালে পেনশন প্রকল্প চালু হওয়ার পরে সাধারণ ভাবে পিএফের পেনশনের হার শেষ বারের মতো সংশোধন করা হয় ২০০০-এ। তার পরে ২৫ বছরেরও বেশি সময় তা স্থির। অথচ পণ্যের দাম লাফিয়ে বেড়েছে। অছি পরিষদ ২০১৯-এ ন্যূনতম পেনশন ২০০০ করার সুপারিশ করেছিল। কান দেয়নি কেন্দ্র।’’