মুকেশ অম্বানী। ফাইল চিত্র।
এক দিকে, ৩০,০০০ কোটি টাকা লগ্নিতে তৈরি হবে কৃত্রিম মেধা বা এআই এবং রোবট প্রযুক্তি নির্ভর ফুড পার্ক। অন্য দিকে, জ্বালানিতে দেশকে স্বনির্ভর করে তোলার লক্ষ্যে আরও বেশি পুঁজি ঢেলে উৎপাদন বাড়ানো হবে দূষণহীন বিদ্যুৎ এবং জ্বালানির। যার মধ্যে আছে বায়ু ও সৌর বিদ্যুৎ, জৈব এবং কয়লা থেকে তৈরি গ্যাস, হাইড্রোজেন জ্বালানি, আধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি ব্যাটারি ইত্যাদি। সেই সঙ্গে এই প্রথম বাজারে ছাড়া হবে রিলায়্যান্সের টেলিকম ব্যবসা জিয়োর শেয়ার (আইপিও)। যা বিক্রি করে ৪০০ কোটি ডলার বা ৩৮,০০০ কোটি টাকা তোলার লক্ষ্য স্থির করার সুবাদে, এটিই হবে ভারতের বৃহত্তম আইপিও। শুক্রবার রিলায়্যান্স ইন্ডাস্ট্রিজ়ের ৪৯তম বার্ষিক সাধারণ সভার মঞ্চ থেকে এই সমস্ত লক্ষ্য ছোঁয়ার কথাই শোনালেন গোষ্ঠীর কর্ণধার মুকেশ অম্বানী, তাঁর ছেলে জিয়োর এমডি আকাশ অম্বানী এবং মেয়ে রিলায়্যান্স রিটেলের ডিরেক্টর ইশা অম্বানী।
এ দিন মুকেশ বলেন, ‘‘৭০ শতাংশের বেশি জ্বালানি আমদানির কারণে এই খাতে ভারতের খরচ তো বেশি হয়ই। সেই সঙ্গে এতে ভূ-রাজনৈতিক সমস্যার আবহে সঙ্কটও তৈরি হয়। এটা বেশি দিন চলতে পারে না।’’ উপগ্রহ ভিত্তিক টেলি পরিষেবা প্রসারে জোর দেন আকাশ। যেখানে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী আমেরিকার ধনকুবের ইলন মাস্কের সংস্থা স্টারলিঙ্ক। সেই সঙ্গে তিনি জানান, তাঁদের এআই পৌঁছবে সব অঞ্চলের সাধারণ মানুষের কাছে। তা ব্যবহারের জন্য লাগবে না কোনও অ্যাপ। এর সুবিধা মিলবে নেটওয়ার্কের মাধ্যমেই। ফোনে কথা বলতে বলতেই লিখে নেওয়া যাবে তার সারমর্ম। একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে বিভিন্ন ভাষায় সেরে নেওয়া যাবে কল। বুক করা যাবে গাড়ি, অর্ডার দেওয়া যাবে খাবার। যে ভাবে ডেটাকে সকলের কাছে পৌঁছনো হয়েছে, সে ভাবেই এআই-কে এই দশকের শেষে সহজলভ্য করে তোলা হবে।
অন্য দিকে, ইশার বার্তা, পশ্চিমবঙ্গ-সহ উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলি, বিহার এবং দেশের অন্যান্য অঞ্চলে ব্যবসা ছড়ানোর পথে হাঁটছে তাদের ভোগ্যপণ্য শাখা রিলায়্যান্স কনজ়িউমার প্রডাক্ট।