Share Market

দিনভর ৬৭১ পয়েন্টের ওঠানামা! যুদ্ধ নিয়ে দোলাচলে অস্থির শেয়ারবাজার

যদিও এ দিন লেনদেন চলাকালীন শেয়ার সূচকের ওঠার কারণ হিসেবে একাধিক ইতিবাচক বিষয়ের কথাও বলছে সংশ্লিষ্ট মহল। যেমন, বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেলের দাম ব্যারেল পিছু ১০০ ডলারের নীচে নামায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদন
শেষ আপডেট: ০৮ মে ২০২৬ ০৯:১৭

— প্রতীকী চিত্র।

এক দিকে যুদ্ধ থামাতে আমেরিকা-ইরানের মধ্যে চুক্তি হওয়ার আশা। অন্য দিকে, প্রথম দু’টি শান্তি বৈঠকের মতোই আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার আশঙ্কা। লগ্নিকারীদের এই দুই বিপরীত মনোভাবের প্রভাবে বৃহস্পতিবার দিনভর অস্থির রইল শেয়ার বাজার। গোটা লেনদেন কাটাল প্রায় ৬৭১ পয়েন্ট ওঠানামার মধ্য দিয়ে। সেনসেক্স দিন শেষ করেছে ১১৪ পড়ে। থেমেছে ৭৭,৮৪৪.৫২ অঙ্কে। তবে এক সময় উঠেছিল ৭৮,৩৮৪-তে। নিফ্‌টি থিতু হয়েছে ২৪,৩২৬.৬৫ অঙ্কে। বুধবারের থেকে ৪.৩০ নীচে।

যদিও এ দিন লেনদেন চলাকালীন শেয়ার সূচকের ওঠার কারণ হিসেবে একাধিক ইতিবাচক বিষয়ের কথাও বলছে সংশ্লিষ্ট মহল। যেমন, বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেলের দাম ব্যারেল পিছু ১০০ ডলারের নীচে নামায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। বৃহস্পতিবার রাতে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ছিল ৯৭.৪১ ডলার। নিশ্চিন্ত করেছে ডলারের সাপেক্ষে টাকার দাম। টানা তাকে উঠতে দেখা যাচ্ছে। বুধবার আমেরিকার মুদ্রার দাম ৬৯ পয়সা পড়ার পরে এ দিন নেমেছে ২৩ পয়সা। থিতু হয়েছে ৯৪.২৬ টাকায়। বিশ্ব বাজারেও বিভিন্ন দেশে শেয়ার সূচক মাথা তুলেছে।

বাজার বিশেষজ্ঞ আশিস নন্দী অবশ্য সতর্ক করে বলেছেন, ‘‘শেয়ার বাজারে স্থিতিশীলতা আসতে সময় লাগবে। আমেরিকা-ইরানের যুদ্ধ যদি থেমেও যায়, তবু তার ঝাপ্টা রয়ে যাবে আরও বেশ কিছুটা সময় ধরে। গত জানুয়ারি-মার্চে দেশের কর্পোরেট সংস্থার আর্থিক ফলে অশান্ত পশ্চিম এশিয়ার প্রভাব পড়েনি ঠিকই। কিন্তু এপ্রিল-জুনে পড়তে পারে। কারণ, যুদ্ধের খারাপ প্রভাবগুলি এই তিন মাসে সব থেকে বেশি পড়ার আশঙ্কা।’’

আশিস-সহ বিশেষজ্ঞদের দাবি, এর ফলে শেয়ার বাজার আপাতত অস্থিরই থাকবে। দ্রুত ওঠানামা করবে সূচক। তবে সাধারণ লগ্নিকারীরা আতঙ্কিত হয়ে সেখান থেকে বেরিয়ে না গিয়ে অল্প অল্প করে ভাল শেয়ার কিনে রাখতে পারেন। এটাই লগ্নির সময়। তাতে ভবিষ্যতে ভাল মুনাফার মুখ দেখা যেতে পারে।

আরও পড়ুন