DA arrear

কোভিডকালের ১৮ মাসের বকেয়া ডিএ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত! তিনটি কিস্তির টাকা দেওয়া হবে কি না জানিয়ে দিল কেন্দ্র

কোভিডকালে অর্থনৈতিক সঙ্কটের সময় সরকার তিন কিস্তিতে ডিএ প্রদান বন্ধ করে দিয়েছিল। সেই বকেয়া ডিএ নিয়ে কর্মচারীদের সংগঠনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল কেন্দ্র।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬ ১৮:০৫

—প্রতীকী ছবি।

কোভিভ অতিমারির সময় ১৮ মাস সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ বন্ধ রাখে কেন্দ্র। অষ্টম বেতন কমিশন চালু হওয়ার আগে বকেয়া ডিএ নিয়ে তদ্বির করছিল সরকারি কর্মচারী সংগঠনগুলি। শুধু তা-ই নয়, বেতন কমিশনের কাছেও এই সংক্রান্ত প্রস্তাব জমা করে তারা। কর্মচারী সংগঠনগুলির সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে এ বার নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল নরেন্দ্র মোদী সরকার। বকেয়া ডিএ নিয়ে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক।

Advertisement

কোভিডকালে অর্থনৈতিক সঙ্কটের সময় ডিএ-র তিনটি কিস্তির টাকা দেওয়া বন্ধ রাখে কেন্দ্রীয় সরকার। সেগুলি হল, ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত প্রথম কিস্তি, ওই বছরেরই ১ জুলাই থেকে ৩১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দ্বিতীয় কিস্তি এবং ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত তৃতীয় কিস্তি। এই সময়কালে ডিএ পাননি কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা। এই ১৮ মাসে মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) স্থগিত রেখে ৩৪,৪০২.৩২ কোটি টাকা সাশ্রয় করে মোদী প্রশাসন। এই অর্থ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পে ব্যবহার করা হয়েছিল। এখন কর্মচারী ইউনিয়ন ও সংগঠনগুলো এই বকেয়া অর্থ প্রদানের জন্য ক্রমাগত দাবি জানিয়েছে। কেন্দ্রের বিজেপি সরকার সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত এই বকেয়া ডিএ দেওয়া সম্ভবপর নয়।

অর্থ মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যেই স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, কোভিডের সময় স্থগিত থাকা ১৮ মাসের মহার্ঘ ভাতা (ডিএ/ডিআর) কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের দেওয়া হবে না। সরকার সংসদে জানিয়েছে, মহামারিজনিত আর্থিক চাপ মোকাবিলার জন্য তিন কিস্তির ডিএ/ডিআর সাময়িক ভাবে স্থগিত রাখা হয়েছিল। সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী, বর্তমানে ওই ১৮ মাসের বকেয়া ডিএ/ডিআর পরিশোধের কোনও প্রস্তাব বিবেচনাধীন নেই। অর্থ মন্ত্রণালয়ের মতে, বর্তমান বাজেটের চাপের প্রেক্ষাপটে স্থগিত থাকা ওই সময়ের মহার্ঘ ভাতা পরিশোধ করা আর্থিক ভাবে যুক্তিযুক্ত নয়।

Advertisement
আরও পড়ুন