নিজস্ব চিত্র।
সোমবার শুরু হল মাধ্যমিক। পর্ষদের নিয়ম মেনে সকাল ১০টা থেকে পড়ুয়াদের প্রবেশ করান হয় পরীক্ষাকেন্দ্রে। স্কুল সামনে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত পুলিশের ব্যবস্থা করা হয়েছে প্রশাসনের তরফ থেকে। ভিতরে প্রবেশের সময় পুলিশ আধিকারিকদের তরফ থেকে পড়ুয়াদের হাতে দেওয়া হয় ফুল। সে সময়ই পরীক্ষার্থীদের অ্যাডমিট কার্ডও পরীক্ষা করে নেওয়া হয়।
সকাল থেকে বিভিন্ন স্কুল পরিদর্শনে যান পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা। কলকাতা পুলিশের কমিশনারও বেশ কিছু স্কুল পরিদর্শনে যান। ইউনাইটেড মিশন গার্লস স্কুলে পরিদর্শনে গিয়ে পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকার বলেন, “রাস্তায় পর্যাপ্ত পুলিশ রয়েছে। আমরা একটা হেল্পলাইন নম্বরও চালু করেছি। কোথাও কোনও পরীক্ষার্থী সমস্যায় পড়লে তাদের সম্পূর্ণ ভাবে সাহায্য করা হবে।”
স্কুলগুলির সামনে পড়ুয়াদের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতির ছবি দেখা গিয়েছে প্রতিবারের মতোই। কেউ নোটবুক কেউ বা বইয়ের পাতা উল্টে শেষ মুহূর্তে প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। অনেকেই পড়া ঝালিয়ে নিচ্ছে মুঠোফোনে।
বাগবাজার নিবেদিতা স্কুলের ছাত্রী সমর্পিতা সাহা পরীক্ষা দিতে গিয়েছে বেথুন কলেজিয়েট স্কুলে। তার কথায়, ‘‘বই যে রকম গুরুত্বপূর্ণ, সে রকমই দ্রুত পিডিএফ থেকে শেষ মুহূর্তে পয়েন্টগুলি চোখ বুলিয়ে নিচ্ছি।”
আদি মহাকালী পাঠশালার দুই ছাত্রী অনামিকা ও মুসকান সাউ বলেন, “ব্যাগ রাখার একটা সমস্যা রয়েছে। তাই শেষ মুহূর্তে মোবাইলে বিভিন্ন যে নোট রয়েছে সেগুলি চোখ বুলিয়ে নিচ্ছি।”
পরীক্ষার্থীদের অ্যাডমিট কার্ড পুলিশের তরফে পরীক্ষা করা হচ্ছে। যদি কোনও পরীক্ষার্থীর জলের বোতলে লেবেল লাগানো থাকে, তা হলে তা খুলে দেওয়া হচ্ছে। তবেই জলের বোতল নিয়ে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে।
এ বার মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৯ লক্ষ ৭১৩৪০ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৪ লক্ষ ২৬,৭৩৩ জন এবং ছাত্রী ৫,৪৪,৬০৬ জন। এক জন তৃতীয় লিঙ্গভুক্ত পরীক্ষার্থীও আছে। মোট ২৬৮২টি স্কুলে পরীক্ষা হচ্ছে। পরীক্ষাকেন্দ্রের ভিতরে পরীক্ষার্থীরা মোবাইল ফোন থেকে শুরু করে ক্যালকুলেটর, স্মার্ট ওয়াচ, ইয়ার প্লাগ ও কোনও রকম ব্লুটুথ নিয়ে যাতে প্রবেশ না করে তা সুনিশ্চিত করছে পুলিশ।