WBJEE Exeam

বোর্ড চেয়ারম্যানের পদ শূন্য, বিলম্ব সিদ্ধান্তে! ফের অনিশ্চয়তার কালো মেঘ রাজ্য জয়েন্ট ঘিরে

গত কয়েক বছর ধরে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার অব্যবহিত পরেই জয়েন্ট এন্ট্রান্সের আয়োজন করছে রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড। এপ্রিল মাসের চতুর্থ সপ্তাহের মধ্যেই তা সম্পূর্ণ করা হয়।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৪:১৩
প্রতীকী চিত্র।

প্রতীকী চিত্র।

উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হচ্ছে চলতি মাসের শেষে। মার্চ মাসে শেষ হয়ে যাবে সিবিএস‌ই দ্বাদশ ও আইএসসি পরীক্ষা। এখনও হয়নি রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষার দিন ঘোষণা বা আবেদনের গ্রহণ প্রক্রিয়া। বিধানসভা ভোট আসন্ন। তার আগে পরীক্ষা নিতে পারবে জয়েন্ট বোর্ড? উঠছে প্রশ্ন।

Advertisement

গত কয়েক বছর ধরে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার অব্যবহিত পরেই জয়েন্ট এন্ট্রান্সের আয়োজন করছে রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড। এপ্রিল মাসের চতুর্থ সপ্তাহের মধ্যেই তা সম্পূর্ণ করা হয়। এ বছর ভোটের কারণে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা এগিয়ে এসেছে। প্রথম থেকেই প্রশ্ন ছিল, জয়েন্টও কি এগোবে? কিন্তু তার স্পষ্ট জবাব নেই বোর্ড বা শিক্ষা দফতরের কাছে।

শিক্ষকমহলের ব্যাখ্যা, মার্চের শেষে অথবা এপ্রিলের শুরুতে পরীক্ষার আয়োজন করতে হবে বোর্ডকে। কারণ তার পরই রাজ্য বিধানসভা নির্বাচন। কিন্তু তা হলে ডিসেম্বর-জানুয়ারি নাগাদই ফর্ম পূরণের নির্দেশিকা জারি করা উচিত ছিল জয়েন্ট বোর্ডের, শিক্ষকমহলের দাবি। কিন্তু এ বিষয়ে এখনও কোন‌ও সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি বোর্ড।

জাতীয় স্তরে ইতিমধ্যে জেইই মেন-এর ফলঘোষণা হয়েছে ইতিমধ্যেই। অ্যাডভান্স-এর দিনক্ষণও চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতে যদি দ্রুত রাজ্য জয়েন্ট পরীক্ষা না হয় এবং ফলপ্রকাশে গত বছরের মতোই বিলম্ব হয়, তা হলে রাজ্যের ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলি বিপাকে পড়বে। ছাত্রসংখ্যা তলানিতে ঠেকবে। আপোস করতে হবে মেধার সঙ্গে, এমনই দাবি শিক্ষকমহলের।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ডিন পার্থপ্রতিম বিশ্বাস বলেন, “ভোট হবে, আমরা সবাই জানতাম। তাই সরকারের উচিত ছিল এ বিষয়ে আগে থেকে পরিকল্পনা সেরে রাখা। গত বেশ কয়েক বছর ধরেই পরীক্ষায় বিলম্ব হচ্ছে। তার ফলে রাজ্যের ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়ারা ভিন্‌ রাজ্যে চলে যাচ্ছেন। মেধার সঙ্গে আপোস করতে হচ্ছে রাজ্যের প্রতিষ্ঠানগুলিকে।”

কিন্তু কেন এখনও পরিকল্পনা করে উঠতে পারল না উচ্চ শিক্ষা দফতর? আধিকারিকেরা সরাসরি মুখ না খুললেও অসন্তোষ রয়েছে সেখানেও। অনেকেই বলছেন, গত প্রা দেড় মাস জয়েন্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান পদ শূন্য। ফলে পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে সমস্যা হচ্ছে।

Advertisement
আরও পড়ুন