দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: সংগৃহীত।
সরকারি প্রতিষ্ঠানে কম খরচে শিক্ষার সুযোগ মেলে। এই আশাতেই প্রতি বছর উচ্চশিক্ষার জন্য নামী সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে বেছে নেন পড়ুয়ারা। কিন্তু এ বার দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফি ১৭ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পাওয়ায় পড়ুয়াদের কপালে চিন্তার ভাঁজ। স্বল্প সময়ের ব্যবধানেই বাড়ানো হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফি।
দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে গত ছ’মাসের মধ্যে দ্বিতীয় বার পড়ুয়াদের জন্য বরাদ্দ ফি বাড়ানো হল। চলতি শিক্ষাবর্ষ থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ে পঠনপাঠনের জন্য বর্ধিত ফি জমা দিতে হবে পড়ুয়াদের। গত জুলাইয়ে ‘স্টুডেন্ট ফি’-এর পরিমাণ ছিল ৩,২০০ টাকা, তা বেড়ে হয়েছে ৪,১০০ টাকা। এ দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী, প্রাতিষ্ঠানিক পরিষেবা এবং পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য বার্ষিক ১০ শতাংশ ফি বৃদ্ধি করা যেতে পারে বলে উল্লেখ করা আছে।
সংশোধিত ফি কাঠামো অনুযায়ী, পড়ুয়াদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকাঠামো উন্নয়নের তহবিল (ইউডিএফ)-এ ১,৭৫০ টাকা জমা দিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পরিষেবার জন্য জমা দিতে হবে অতিরিক্ত ১,৭৫০ টাকা। অর্থনৈতিক ভাবে পিছিয়ে পড়া শ্রেণির সহায়তার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলে জমা দিতে হবে ৩০০ টাকা। এ ছাড়া, বাকি ৩০০ টাকা জমা দিতে হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া কল্যাণ তহবিলে।
অভিযোগ, পড়ুয়াদের জন্য নির্ধারিত ফি প্রতি বছর ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২২ সালে যেখানে ইউডিএফ-এর জন্য ৯০০ টাকা, পরিষেবার জন্য ৫০০ টাকা এবং পিছিয়ে পড়া পড়ুয়াদের কল্যাণের জন্য তহবিলে জমা দিতে হত ১০০ টাকা। অর্থাৎ মোট ১,৫০০ টাকা ‘স্টুডেন্ট ফি’ দিয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ে পঠনপাঠন করা যেত। সেখানে এখন মোট ৪,১০০ টাকা জমা দিতে হবে পড়ুয়াদের।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম বহির্ভূত এই বর্ধিত ফি নিয়ে তাই পড়ুয়া থেকে শিক্ষক— সকলেই চিন্তিত। প্রশ্ন উঠেছে সংশোধিত ফি-এর বৈধতা এবং স্বচ্ছতা নিয়েও।