ছবি: এআই।
গত কয়েক বছরে বদলে গিয়েছে কাজের ধরন, বদলেছে ইন্টারভিউ বোর্ডে নিয়োগ কর্তাদের প্রশ্নের ধরনও। প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতার থেকেও এখন বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে কর্মদক্ষতা এবং অভিজ্ঞতাকে। প্রার্থী কোন বিষয়ে কতটা দক্ষ— যাচাই করার জন্য পরীক্ষাও নিয়ে থাকে বহু সংস্থা। তাই চাকরির দুনিয়ায় কিংবা ফ্রিল্যান্সার হিসাবে কাজ করার জন্য পোক্ত পোর্টফোলিও থাকা আবশ্যক।
কলেজ স্তরেই শুরু প্রস্তুতি:
পড়াশোনার পাশাপাশি দক্ষতা বৃদ্ধির দিকে বিশেষ ভাবে নজর দেওয়া প্রয়োজন। তাই শুধু সিভি নয়, দরকার ভাল পোর্টফোলিও— যা পড়ুয়াদের কাজের দক্ষতা সম্পর্কে সমস্ত তথ্য একই সঙ্গে নিয়োগকর্তার কাছে পৌঁছে দেবে। স্নাতক স্তরের পড়াশোনার সঙ্গেই পড়ুয়াদের নিজেদের বুঝে নিতে হবে কোন কাজ তাঁরা কেমন ভাবে করছেন? তা বুঝে নিতে পারলে নথিবদ্ধ করা সহজ।
কী ভাবে নথিবদ্ধ করতে হবে?
অনলাইন প্ল্যাটফর্ম:
ইঞ্জিনিয়ারিং, কলা, বিজ্ঞান, ম্যানেজমেন্ট— প্রতিটি শাখার পড়ুয়াদের জন্য আলাদা বিভাগে কাজের চাহিদা থাকে। বিভিন্ন সংস্থার ওয়েবসাইটে গিয়ে পদের নিরিখে কেমন পোর্টফোলিও তৈরি করা উচিত তা-ও জেনে নেওয়া প্রয়োজন।
কোন বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে?
যে সমস্ত কাজের অভিজ্ঞতা বা দক্ষতার উল্লেখ পোর্টফোলিও-তে থাকছে, তার উপযুক্ত শংসাপত্রও থাকা চাই। প্রকল্পের ভাবনা মৌলিক হওয়া প্রয়োজন। কাজের ফলাফল আশাব্যঞ্জক না হলে, তার উল্লেখ পোর্টফোলিওতে প্রয়োজন নেই।
এ ক্ষেত্রে বলে রাখা দরকার, জীবনপঞ্জি কাজের অভিজ্ঞতার তথ্য জানতে সাহায্য করে। পোর্টফোলিও সেই অভিজ্ঞতা কোন দক্ষতা বা প্রকল্পের জোরে প্রার্থী অর্জন করেছেন, তার রূপরেখা তুলে ধরে। তাই বিশদ তথ্য ছাড়া পোর্টফোলিও তৈরি করা যাবে না।