— প্রতীকী চিত্র।
সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে একটি খাতার প্রথম অংশের কয়েকটি পাতার ছবি। যেটি প্রাথমিক ভাবে এই বছরের উচ্চ মাধ্যমিকের পদার্থবিদ্যার খাতা বলে অনুমান। কিন্তু এই খাতা কোথা থেকে এল সেটা অবশ্য জানা যায়নি। যদিও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ এর তরফে জানানো হয়েছে এই খাতার কোনও সত্যতা নেই।
সূত্রের খবর, এই খাতা পশ্চিমের কোনও জেলার সোশ্যাল মিডিয়া থেকে ছড়িয়ে পড়েছে। তাহলে কি উচ্চ মাধ্যমিকের খাতা প্রকাশ্যে বেরিয়ে এল?
সংসদের সভাপতি পার্থ কর্মকার জানান, যে কোনও পরীক্ষার খাতায় সেন্টার ইনচার্জের সই থাকে। এই খাতায় সেটা দেখা যায়নি। ফলে আদৌ এর কোনও সত্যতা নেই।
তবে নাম জানাতে অনিচ্ছুক এক শিক্ষকের বক্তব্য, ‘‘খাতা এই ভাবে বাইরে বেরিয়ে যাচ্ছে, কোনও রকম ব্যবস্থা নেই! কোথা থেকে এই খাতা প্রকাশ্যে এল, কেন এল, সেটাও সংসদের খতিয়ে দেখা উচিত। এই ভাবে চললে তো পরীক্ষার উপর থেকে ভরসা উঠে যাবে।’’
সংসদ সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। তবে এই বিষয়টি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে কেউ ঘটিয়ে থাকতে পারে বলে মনে করছেন শিক্ষকদের একাংশ। কবে সত্যিটা সামনে আসে সেই আশায় পড়ুয়া এবং শিক্ষকেরাও।
পশ্চিমবঙ্গ সরকারি বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সৌগত বসু বলেন, ‘‘এ ভাবে একজন ছাত্রের নাম, রোল নম্বর সব প্রকাশ্যে চলে এল। এটা খুবই দুর্ভাগ্যের। সংসদের কাছে আমাদের আবেদন দ্রত দোষীদর চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিন।’’