Ambedkar insult inquiry

অম্বেডকর অবমাননার তদন্ত কত দূর! যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে চিঠি পাঠাল ন্যাশনাল কমিশন ফর শিডিউল কাস্ট

গত ১১ ডিসেম্বর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রী অভিযোগ করেন, বিভাগের শিক্ষক অরূপ ভট্টাচার্য ভারতীয় সংবিধান ও সংবিধান প্রণেতা বাবাসাহেব অম্বেডকর সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০২ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:৩০
প্রতীকী চিত্র।

প্রতীকী চিত্র।

অম্বেডকর অবমাননার ঘটনা নিয়েও বিপাকে যাদবপুরে। এ বার বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে জবাব তলব করল ন্যাশনাল কমিশন ফর শিডিউল কাস্ট (এনসিএসসি)। আগামী ৭ দিনের মধ্যে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কর্তৃপক্ষকে।

Advertisement

গত ১১ ডিসেম্বর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রী অভিযোগ করেন, বিভাগের শিক্ষক অরূপ ভট্টাচার্য ভারতীয় সংবিধান ও সংবিধান প্রণেতা বাবাসাহেব অম্বেডকর সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন। এ বিষয়ে ওই ছাত্রী ই-মেল করে অভিযোগ করেন বিভাগীয় প্রধান, রেজিস্ট্রার, সহ-উপাচার্য এবং উপাচার্যের কাছে। তার প্রেক্ষিতে গত ১৬ ডিসেম্বর অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি গঠন করেন কর্তৃপক্ষ। বলা হয় পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে রিপোর্ট পেশ করতে হবে।

কিন্তু এরই মধ্যে গত ২৭ ডিসেম্বর ওই ছাত্রী এনসিএসসি-র কাছে অভিযোগ জানান। তার প্রেক্ষিতেই বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রারকে চিঠি দিয়েছে কমিশন। জানতে চাওয়া হয়েছে ওই ছাত্রীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে কী কী পদক্ষেপ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। গত ৩০ ডিসেম্বর ওই চিঠি এসেছে বলে স্বীকার করেছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়।

আইআর বিভাগের ওই ছাত্রী বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় বা বিভাগের তরফে কোন‌ও পদক্ষেপে করা হয়নি। ১৫ দিন পেরিয়ে গেলেও তদন্ত কমিটি রিপোর্ট দেয়নি, এমনকি আমাকেও ডাকা হয়নি।”

এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য বলেন, “ছাত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ১৬ ডিসেম্বর এই কমিটি গঠন হয়েছে। সমাবর্তন এবং বছর শেষে ছুটির জন্য কিছুটা দেরি হয়েছে। দ্রুত এ বিষয়ে পদক্ষেপ করা হবে।”

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রের ব্যাখ্যা, ১৬ ডিসেম্বরে পর থেকে মাত্র ৮টি প্রথম কর্মদিবস পাওয়া গিয়েছে। এখনও সপ্তাহখানেক সময় আছে তদন্ত কমিটির হাতে। এ দিকে রেজিস্ট্রারকে পাঠানোর চিঠিতে কমিশন জানিয়েছেন, চিঠি পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তার বিবরণ লিখিত আকারের জমা দিতে হবে। না হলে সংবিধানের ৩৩৮ অনুচ্ছেদের অধীনে আদালতের ক্ষমতা প্রয়োগ করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে বা তার প্রতিনিধিকে সমন জারি করা হবে।

Advertisement
আরও পড়ুন