----- প্রতীকি চিত্র
‘বিকশিত ভারত শিক্ষা অধিষ্ঠান বিল ২০২৫’-এর পক্ষেই মত দিল রাজ্যের প্রতিনিধি দল। এ রাজ্যের কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সম্প্রতি দিল্লি গিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন, অল ইন্ডিয়া কাউন্সিল ফর টেকনিকাল এডুকেশন এবং এনসিটিই-কে এক ছাতার তলায় আনার জন্য যে বিলটি বর্তমানে যৌথ সংসদীয় কমিটির কাছে রয়েছে, তার পক্ষেই মতামত দেওয়া হয়েছে বলে খবর।
সম্প্রতি দিল্লিতে দু’দিনের ওই বৈঠক হয়। সেখানেই বিভিন্ন রাজ্য থেকে একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে সেখানে আমন্ত্রণ জানানো হয়। বিস্তারিত আলোচনা এবং মতামত জানানোর জন্যই তাঁদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল বলে খবর। সেখানে গিয়েই এ রাজ্যের তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা ওই বিলের পক্ষে মতামত দেন।
জানা গিয়েছে, এই বিলটি ২০২৫ সালে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পরে গত ডিসেম্বরে তা লোকসভায় পেশ করা হয়। সেই বিল নিয়ে বিতর্কও শুরু হয়। বিরোধীদের একাংশ এবং কয়েকটি রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার স্বায়ত্তশাসন নষ্ট হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন। সেই দ্বন্দ্বের অবসান ঘটাতে এই বৈঠক হয় বলে জানা গিয়েছে। সেখানে অধিকাংশ উপাচার্য ও শিক্ষাবিদেরা পক্ষে মতামত দিলে তারপরে এই বিলটি লোকসভায় পেশ করা হতে পারে মনে করছে শিক্ষামহল।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি জুটার সাধারণ সম্পাদক পার্থপ্রতিম রায় বলেন, ‘‘ইউজিসি যে ভাবে স্বশাসন বজায় রেখে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকার পোষিত সব বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কাজ করত সেটা যদি বিঘ্নিত হয় সেটা অভিপ্রেত হবে না। গবেষণা এবং পড়ুয়াদের স্বার্থ যেন কোনও ভাবেই বিঘ্নিত না হয় সেটাও দেখা প্রয়োজন।’’