— প্রতীকী চিত্র।
বঞ্চিত হচ্ছে ডিএ-প্রাপ্ত স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা। প্রতিকারের দাবিতে স্কুল শিক্ষা দফতরের দ্বারস্থ হলেন শিক্ষকদের একাংশ।
তাঁদের অভিযোগ, আর্থিক সুবিধা পাওয়ার বিষয়ে ‘ডিএ গেটিং’ স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের তালিকা তৈরিতে বিলম্ব হয়। তাই, দফতরের প্রধান সচিবের কাছে তাঁরা দাবি রাখলেন, যেন সরকার পোষিত স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর সঙ্গেই ওই সমস্ত স্কুলের কর্মীদেরও তালিকা তৈরি হয়।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সরকার পোষিত স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের মহার্ঘ ভাতা দেওয়া নিয়ে গত এক মাস ধরেই নানা আলোচনা চলছিল। তাঁরা আদৌ এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন কিনা সেটাই স্পষ্ট হচ্ছিল না। অবশেষে দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, নবান্নের অর্থ দফতরে ওই তালিকা পাঠানোর কাজ শুরু হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে ১ এপ্রিল নবান্নে এই বিষয়ে বৈঠকও হয়।
সূত্রের খবর, তারপর থেকে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের তালিকা তৈরি এবং কী ভাবে তাঁদের সেই মহার্ঘ ভাতা দেওয়া যায় সেই নিয়ে উদ্যোগী হচ্ছে দফতর। কিন্তু বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল জানান, আর্থিক সুবিধা পাওয়ার বিষয়ে এর আগে দেখা গিয়েছে, ডিএ গেটিং স্কুলের এবং সরকার পোষিত মিশনারি পরিচালিত কিছু ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের সুযোগ-সুবিধা পেতে অনেক দেরি হয়। কারণ তাঁরা সরকার পোষিত স্কুলের সঙ্গে একতালিকায় থাকেন না। এই বিলম্ব এড়াতেই প্রধান সচিবের কাছে আবেদন করা হয়েছে।
স্বপন বলেন, ‘‘দীর্ঘদিন ধরেই এই মহার্ঘ ভাতা পাওয়া নিয়ে টালবাহানা চলছে। এ বার শোনা যাচ্ছে, দফতর তালিকা তৈরি করার পাশাপাশি কী ভাবে ভাতার অর্থ আমাদের কাছে পৌঁছবে সেটাও ঠিক করছে। তাই আমরা চাই, ডিএ গেটিং স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী এবং অবসরপ্রাপ্তদের তালিকা একসঙ্গে প্রকাশ হোক।” এতে অযথা ভাতা পেতে বিলম্ব হবে না বলেই মনে করছেন তাঁরা।