Calcutta University

নির্বাচনের কারণে স্থগিত হওয়া প্রথম সেমেস্টারের লিখিত পরীক্ষা ১১ মে শুরু, জানাল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়

গত ১০ এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছিল স্নাতক স্তরের প্রথম সেমেস্টারের লিখিত পরীক্ষা। ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই জানা যায় যে বিভিন্ন কলেজে কেন্দ্রীয় বাহিনীর থাকার ব্যবস্থা হচ্ছে। এর জেরে পরীক্ষা ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা ছিলই। তারপরে কিছু পরীক্ষা স্থগিত করে দেওয়া হয়।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৫:১৩
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ।

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় । ছবি: সংগৃহীত।

অবশেষে স্থগিত হওয়া স্নাতক স্তরের প্রথম সেমেস্টারের লিখিত পরীক্ষার দিন ঘোষণা করল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, আগামী মে মাসের ১১ থেকে ১৮ পর্যন্ত পরীক্ষা চলবে। ইতিমধ্যে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে পরীক্ষা নিয়ামক দফতর।

Advertisement

রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের জন্য পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তরফে। গত ১০ এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছিল স্নাতক স্তরের প্রথম সেমেস্টারের লিখিত পরীক্ষা। ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই জানা যায় যে বিভিন্ন কলেজে কেন্দ্রীয় বাহিনীর থাকার ব্যবস্থা হচ্ছে। এরই জেরে পরীক্ষা ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা ছিলই। তার পরেও বহু টালবাহানার পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত পরীক্ষার দিনক্ষণ ঠিক হয়। বিজ্ঞপ্তিও হয়ে যায়। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রের খবর, এপ্রিলের প্রথমেই বেশ কয়েকটি কলেজের সঙ্গে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বৈঠক হয়। কলেজগুলি জানায়, ১৩ এপ্রিল থেকে বেশির ভাগ কলেজেই কেন্দ্রীয় বাহিনী পৌঁছে যাবে। বিশেষত, শ্রীরামপুর কলেজ, বিবেকানন্দ কলেজ, সিটি কলেজের মতো বেশ কয়েকটি কলেজ তাদের অসুবিধার কথা জানায়। সমাধানের কোনও পথ না মেলায় পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

প্রাথমিক ভাবে জানানো হয় যে ১০, ১১ এবং ১৩ এপ্রিল নির্ধারিত সময় মেনে পরীক্ষা হবে। তার পর থেকে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত যে পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল সেটাই নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পরে হবে। সেই মতোই এ দিন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জানানো হল যে ১১ থেকে ১৮ মে পর্যন্ত পরবর্তী পরীক্ষাগুলি চলবে।

তবে এর পরেও কিছু দ্বিধা রয়েছে শিক্ষকদের মধ্যে। কারণ নির্বাচনের ফল প্রকাশ ৪ মে। পরবর্তী অবস্থার উপর নির্ভর করেই ঠিক হবে যে কেন্দ্রীয় বাহিনী কলেজগুলিতে থাকবে কি না। যদি কেন্দ্রীয় বাহিনী কলেজে থেকে যায় সে ক্ষেত্রে কী হবে সেটাই প্রশ্ন শিক্ষকদের।

Advertisement
আরও পড়ুন