ছবি: সংগৃহীত।
নতুন সরকারের কার্যকাল শুরু হতে না হতেই খোলনলচে বদলাতে শুরু করেছে প্রশাসনের। সোমবার মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক সেরে আগামী দিনের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছিলেন রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিকেলেই নির্দেশ দেওয়া হয় মেয়াদের পর বোর্ড, সংস্থা ইত্যাদি ভেঙে দেওয়ার। তার পরই শুরু হয় ইস্তফার পালা। আর সেখানেই প্রশ্ন ওঠে উচ্চ মাধ্যমিক নিয়ে।
বিধানসভা ভোটের আবহে ২০২৬ উচ্চ মাধ্যমিকের চূড়ান্ত তথা চতুর্থ সেমেস্টারের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ১২ ফেব্রুয়ারি। একই সঙ্গে চলে পুরনো পদ্ধতির পরীক্ষা এবং তৃতীয় সেমেস্টারের সাপ্লিমেন্টারি। আগামী ১৪ মে উচ্চ মাধ্যমিকের চূড়ান্ত ফলপ্রকাশের কথা। কিন্তু তার আগেই সংসদ ভেঙে দেওয়া হলে ফলঘোষণা করবেন কে, প্রশ্ন উঠছিল। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে তৈরি হচ্ছিল দ্বন্দ্ব।
এই আবহে জানা গিয়েছে, আগামী ১৪ মে সকাল সাড়ে ১০টায় ফলঘোষণা করবেন উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের বিদায়ী সভাপতি পার্থ কর্মকারই। এই দায়িত্ব তাঁকেই দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার পার্থ বলেন, “আমি একজন সরকারি আধিকারিক। সরকার যেখানে কাজ করতে বলবে, সেখানেই কাজ করব। আমি আগেও দায়বদ্ধতার সঙ্গে কাজ করেছি, আগামী দিনেও সম্পূর্ণ দায়বদ্ধতার সঙ্গেই কাজ করব।”
শিক্ষা দফতর সূত্রের খবর, উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশের ঠিক আগে সংসদের সভাপতিকে সরিয়ে দিলে সঙ্কট তৈরি হতে পারত। প্রায় ৬ লক্ষ ৩৫ হাজার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর শংসাপত্র তৈরি হয়ে গিয়েছে। উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি হিসাবে সেখানে স্বাক্ষর রয়েছে পার্থ কর্মকারের। তাই আপাতত সংসদ সভাপতিকে থেকে যাওয়ার কথাই বলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
আগামী ১৪ মে সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ ফলঘোষণা হবে, জানানো হয়েছে এক বিজ্ঞপ্তিতে। ওই দিন বেলা ১১টা থেকে বিভিন্ন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীরা ফলাফল জানতে পারবে বলে জানিয়েছে সংসদ।