মাইক্রোবায়োলজি পড়ার খুঁটিনাটি। ছবি: সংগৃহীত।
ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র জীব, যাদের খালি চোখে দেখা যায় না, তাদেরও অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে খুঁজে বের করেন বিজ্ঞানীরা। এ সব অণুজীবীদের খুঁজে বের করা প্রয়োজন মানুষ সভ্যতার উন্নতির স্বার্থে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রয়োজনে নানা ধরনের গবেষণা করতে হয় মাইক্রোবায়োলজি বিষয়ে। এই বিষয়টি নিয়ে উচ্চস্তরে পড়াশোনা করলে গবেষণার কাজই বেশি করতে হয়। কোথায় কোথায় পড়া যায় মাইক্রোবায়োলজি, চাকরির কেমন সুযোগ রয়েছে— বিস্তারিত আলোচনা করা হল।
মাইক্রোস্কোপি অ্যান্ড ইনস্ট্রুমেন্টেশন, মাইক্রোমলিকিউলার স্ট্রাকচার এবং তার বিশ্লেষণ, ইমিউনোলজি, ট্রান্সমিশন-সহ আরও অনেক বিষয়ে বিস্তারিত ভাবে পড়তে হয় মাইক্রোবায়োলজির স্নাতক স্তরে। তাই এই বিষয় নিয়ে পড়ার জন্য গণিত, জীববিদ্যা, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন-সহ দ্বাদশ শ্রেণি উত্তীর্ণ হতে হয়।
কোন কলেজগুলিতে পড়ানো হয়?
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ বেশির ভাগ কলেজে পড়ানো হয়।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়।
বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়।
বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়।
প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও, সেন্ট জেভিয়ার্স, রামকৃষ্ণ মিশন বিবেকানন্দ সেনেটারি কলেজ (পশ্চিমবঙ্গ স্টেট ইউনিভার্সিটির অধীনে)-সহ অনেক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে, যেখানে মাইক্রোবায়োলজি নিয়ে স্নাতক স্তরে পড়ার সুযোগ থাকে।
স্নাতক স্তরের পর স্নাতকোত্তর এবং উচ্চ স্তরে পড়ার সুযোগও রয়েছে। তবে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর উভয় স্তরেই পড়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত প্রবেশিকায় উত্তীর্ণ হতে হয়।
মাইক্রবায়োলজি পড়ার পর কাজের সুযোগ কেমন?
বায়োমেডিক্যাল সায়েন্টিস্ট, ফুড টেকনোলজিস্ট, ফার্মাকোলজিস্ট, ভেটেরনারি মাইক্রোবায়োলজিস্ট, ইন্ডাস্ট্রিয়াল মাইক্রোবায়োলজিস্ট, ল্যাব টেকনিশিয়ান, কোয়ালিটি কন্ট্রোল-সহ নানা ক্ষেত্র রয়েছে, যেখানে এই বিষয়ে নিয়ে পড়ার পর কাজের সুযোগ রয়েছে। এ ছাড়াও গবেষক হিসাবে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এবং দেশের বাইরেও কাজ করার সুযোগ থাকে।