—প্রতীকী চিত্র।
রাজ্যের বাকি দেড়শোটি আসন আজ রাতে কার্যত চূড়ান্ত করে ফেলল বিজেপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি। সূত্রের যা খবর তাতে গত বার টিকিট পেলেও, এ বার সম্ভবত একজনও সংখ্যালঘু দলীয় নেতাকে টিকিট দিচ্ছে না গেরুয়া শিবির। বিজেপির একটি সূত্রের দাবি, সম্ভবত কালই দ্বিতীয় তালিকা প্রকাশ করে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে বিজেপি।
গত দু’দিন ধরে দিল্লিতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে দ্বিতীয় তালিকা নিয়ে একাধিক আলোচনায় বসেছেন রাজ্য বিজেপির নেতারা। গত কালের ধাঁচে আজও দফায় দফায় কেন্দ্রীয় নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে বৈঠক করেন শমীক ভট্টাচার্যেরা। পরে রাত প্রায় সাড়ে ন’টা নাগাদ দলের সদর দফতরে পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে আলোচনায় বসেন নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহেরা। সূত্রের খবর, অসম ও কেরলের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করার পরে বাংলার তালিকা হাতে নেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, প্রথম তালিকার মতোই দ্বিতীয়তেও চমক কম থাকবে। যারা দলের পুরনো কর্মী, যারা দীর্ঘ দিন ধরে দল করে এসেছেন, এমন ব্যক্তিদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। তবে এ বারও একাধিক বিধায়কের টিকিট কাটা গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
চলতি সপ্তাহের গোড়ায় ভোট ঘোষণা এবং তার পরে প্রথম প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হলেও বঙ্গে পা দিতে দেখা যায়নি কোনও বড় মাপের নেতাকে। আগামী সপ্তাহের আগে বড় কোনও সভা হওয়ার পরিকল্পনা নেই বলেই জানিয়েছে দল। কৌশলগত কারণেই ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। দলের বক্তব্য, ছোট ছোট জনসভা করে মানুষের আরও বেশি কাছে পৌঁছনোর উপরে জোর দিয়েছেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। আগামী সপ্তাহে রাজ্য জুড়ে বড় করে রামনবমী পালন করা হবে। উত্তর ভারতের ধাঁচে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে জাগরণ, সংকীর্তন করে হিন্দু ভোটারদের কাছে পৌঁছনোর উপর জোর দেওয়া হয়েছে।