West Bengal Assembly Election 2026

পশ্চিমবঙ্গের ভোটে নজরদারি আরও বাড়াচ্ছে কমিশন, প্রতি কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকতে পারেন এক জন করে পর্যবেক্ষক

ভোটে তিন ধরনের পর্যবেক্ষক নিয়োগ করে থাকে কমিশন। এ বার তাদের সংখ্যা আগের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ করা হচ্ছে। নজরদারি আরও জোরদার করতে চাইছে কমিশন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১২ মার্চ ২০২৬ ২২:০১
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে নজরদারি বৃদ্ধির ভাবনা নির্বাচন কমিশনের।

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে নজরদারি বৃদ্ধির ভাবনা নির্বাচন কমিশনের। ছবি: পিটিআই।

পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে নজরদারি আরও বাড়াচ্ছে নির্বাচন কমিশন। পর্যবেক্ষকের সংখ্যা বাড়িয়ে আগের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, এ বছর প্রায় প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য এক জন করে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হবে। ২০২১ সালের ভোটে একাধিক কেন্দ্রের দায়িত্বে এক জন করে পর্যবেক্ষক ছিলেন।

Advertisement

ভোটে তিন ধরনের পর্যবেক্ষক নিয়োগ করে থাকে কমিশন। সাধারণ পর্যবেক্ষক সার্বিক ভাবে ভোট প্রক্রিয়ার দিকে নজর রাখেন। তা ছাড়াও থাকেন পুলিশ পর্যবেক্ষক এবং আয়-ব্যয়ের নজরদারির পর্যবেক্ষক। ভোটের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং পুলিশের ভূমিকার উপর নজরদারি চালান পুলিশ পর্যবেক্ষক। রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা কোথায় কত খরচ করছেন, তার হিসাব রাখেন আয়-ব্যয়ের নজরদারির পর্যবেক্ষক। কমিশন সূত্রে খবর, গত বারের চেয়ে প্রতি ক্ষেত্রেই এ বার পর্যবেক্ষকের সংখ্যা বাড়বে। জোর দেওয়া হচ্ছে সাধারণ পর্যবেক্ষকের সংখ্যায়।

২০২১ সালের ভোটে পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি বিধানসভা আসনের জন্য ১৬০ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছিল। অর্থাৎ, একাধিক কেন্দ্রের দায়িত্ব সামলাতে হয়েছে এক এক জন পর্যবেক্ষককে। এ বার অধিকাংশ কেন্দ্রের জন্যই এক জন করে পর্যবেক্ষককে দায়িত্ব দেওয়ার চিন্তাভাবনা চলছে। যে সমস্ত আসনে বুথের সংখ্যা কম, শুধু সেগুলির ক্ষেত্রে এক জনের উপর একাধিক কেন্দ্রের দায়িত্ব রাখা হতে পারে। এ ছাড়া, গত বিধানসভা ভোটে রাজ্যে মোট ৩৭ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছিল। এ বার সেই সংখ্যাও বেশ কিছুটা বাড়ানো হবে।

পশ্চিমবঙ্গের ভোটে হিংসা, অশান্তির ভূরি ভূরি অভিযোগ ওঠে। গত বিধানসভা ভোটেও তার অন্যথা হয়নি। ভোট চলাকালীন এবং ভোট পরবর্তী হিংসায় অনেকের মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে। সূত্রের খবর, রাজ্যে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করাই কমিশনের লক্ষ্য। তার প্রস্তুতিতে এ বার কোনও ফাঁক রাখতে চাইছেন না কর্তৃপক্ষ। তাই পর্যবেক্ষকের সংখ্যা বৃদ্ধিতে জোর দেওয়া হচ্ছে।

Advertisement
আরও পড়ুন