ISF- Left Front

জোটে জট, তবে নওশাদের সমর্থনের ডাক শরিককেও

নওশাদ যখন বামফ্রন্টকে জেতানোর আহ্বান জানাচ্ছেন, তখনই পূর্ব ঘোষণা মতো হুগলির খানাকুল আসনে (আইএসএফের প্রার্থী আছে) প্রার্থী ঘোষণা করেছে আরএসপি। বামফ্রন্টও বৃহস্পতিবার আরও দুই আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০৩ এপ্রিল ২০২৬ ০৯:৪৯
নওশাদ সিদ্দিকী।

নওশাদ সিদ্দিকী। — ফাইল চিত্র।

বামফ্রন্টের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক ভাবে আসন সমঝোতা সম্পূর্ণ হয়েছে ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের (আইএসএফ)। তবে সেই সমঝোতার প্রক্রিয়ায় আপত্তি তুলে কয়েকটি আসনে আইএসএফের বিরুদ্ধে প্রার্থী দিয়েছে বাম শরিকেরা। এমতাবস্থায় গোটা বামফ্রন্টের সব শরিক দলের প্রার্থীদেরই জয়ী করার আবেদন জানালেন আইএসএফ চেয়ারম্যান নওশাদ সিদ্দিকী। নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে তিনি বলেছেন, ‘‘বিজেপি আর তৃণমূল কংগ্রেস আলাদা নয়। তারা একই বৃন্তে দুইটি কুসুম! এই দুই শক্তিকে পরাস্ত করতে বাম ও আইএসএফের জোটকে সমর্থন করুন। খাম চিহ্নে ভোট দিন। যেখানে খাম নেই, সেখানে খাম সমর্থিত কাস্তে-হাতুড়ি-তারা, সিংহ বা যে বাম দল আছে, তাদের জয়ী করুন। পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যৎ সুনিশ্চিত করতে হবে।’’ তৃণমূলের জমানায় কর্মসংস্থানের অভাব নিয়েও সরব হয়েছেন নওশাদ, নিশানা করেছেন সাম্প্রদায়িক রাজনীতিকেও।

নওশাদ যখন বামফ্রন্টকে জেতানোর আহ্বান জানাচ্ছেন, তখনই পূর্ব ঘোষণা মতো হুগলির খানাকুল আসনে (আইএসএফের প্রার্থী আছে) প্রার্থী ঘোষণা করেছে আরএসপি। বামফ্রন্টও বৃহস্পতিবার আরও দুই আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। পাহাড়ের কালিম্পং আসনে সিপিএমের প্রার্থী হয়েছেন রীতা থাপা। বোলপুরের লাভপুর কেন্দ্রে সিপিএমের প্রার্থী মনসা হাঁসদা। খানাকুলে আরএসপি-র হয়ে দাঁড়াচ্ছেন দলের জেলা কমিটির সদস্য বিপ্লব মজুমদার। আরএসপি-র দাবি, আইএসএফের আগমনে ধর্মীয় মেরুকরণের সুর আরও চড়া হবে। এর বিরুদ্ধেই রাজা রামমোহন রায়ের জন্মস্থান খানাকুলে প্রার্থী দিচ্ছে তারা। খানাকুলের আইএসএফ প্রার্থী সাদ্দাম হোসেনের দাবি, ‘‘সবাই জানে আমরা ধর্মনিরপেক্ষ দল। আরএসপি-র অভিযোগ ধোপে টেকে না।’’

বামফ্রন্ট ও সহযোগী দলগুলির মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে সিপিএম এ বার ১৯৫টি আসনে লড়ছে। বাম শরিক ফরওয়ার্ড ব্লক ২৩, সিপিআই এবং আরএসপি ১৬টি করে, আরসিপিআই এবং মার্ক্সবার্দী ফরওয়ার্ড ব্লক একটি করে আসনে লড়ছে। পশ্চিমবঙ্গ সোশ্যালিস্ট পার্টিকে একটি এবং অন্যান্য গণতান্ত্রিক ও সামাজিক সংগঠনকে ছাড়া হচ্ছে তিনটি আসন। আইএসএফ লড়ছে ৩০টি আসনে। সিপিআই (এম-এল) লিবারেশনের জন্য ছাড়া হয়েছে ৮টি আসন। আইএসএফ এবং বাম শরিক দলের একই সঙ্গে প্রার্থী রয়েছে, এমন তালিকায় থাকছে নন্দীগ্রাম, মধ্যমগ্রাম, বাসন্তী, খানাকুল।

আরও পড়ুন