মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুর্শিদাবাদের নবগ্রামের জনসভায়। —ফাইল চিত্র।
মুর্শিদাবাদের নবগ্রামের সভা থেকে কংগ্রেসকেও তোপ দাগলেন মুখ্যমন্ত্রীর। তিনি বলেন, “আমি অনেক বার বলেছিলাম, চলো সবাই মিলে নির্বাচন কমিশনে যাই, যাওনি। যখন এসআইআর হয়, এক বারও মানুষগুলোর দিকে ফিরে তাকাওনি। বুথ ক্যাম্প কে করেছিল? করেছিল তৃণমূলের বিএলএ-১, বিএলএ ২-রা।” পশ্চিমবঙ্গের যে সমস্ত জেলায় কংগ্রেসের সংগঠন অপেক্ষাকৃত মজবুত, মুর্শিদাবাদ তার মধ্যে অন্যতম। এই বিধানসভা নির্বাচনে একক ভাবে লড়ছে কংগ্রেস। ইতিমধ্যেই ২৮৪টি কেন্দ্রে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে দিয়েছে তারা। মুর্শিদাবাদের নবগ্রাম বিধানসভা এলাকায় প্রচারে গিয়ে বিজেপি যে ভাবে বিজেপিরক পাশাপাশি কংগ্রেসকেও আক্রমণ করেছেন, তা তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন অনেকে।
অমিত শাহকে হরিদাস বলে কটাক্ষ করলেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “বলছে আমরা নাকি ডেমোগ্রাফি (জনবিন্যাস) বদলে দিয়েছি। হরিদাস অমিত শাহ। আবার টেলিপ্রম্পটারে লিখে আনছে ‘আমার সুনার বাংলা’। বুঝতে পারবেন না খালি চোখে। পাতলা কাচের মতো জিনিস। তা দেখে বলছে। আর সুনার বাংলা এসআইআর-এর সময় হয়ে যাচ্ছে হত্যার বাংলা।”
গত পাঁচ বছরে নবগ্রাম বিধানসভায় উন্নয়নের কী কী কাজ হয়েছে, তার খতিয়ান তুলে ধরলেন মমতা। এই সূত্রে সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের কথাও তুলে ধরেন তিনি। বলেন, “এত সামাজিক প্রকল্প বিশ্বে আর কোথাও পাবেন না।”
দিনহাটায় ৩০ হাজার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। ভবানীপুরে ৪০ হাজার নাম বাদ দিয়েছে! এমনটা জানিয়ে বিজেপিকে তোপ দেগে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ভবানীপুরে উকুন বাছছে। ৪০ হাজার নাম বাদ দিয়েছে। তবু লড়ব, জিতবও।” এই সূত্রেই মুখ্যমন্ত্রী ফের জানান, ২৯৪টি কেন্দ্রেই তিনি প্রার্থী।
যুবসাথীদের কেবল ভাতা দেওয়াই নয়, জীবিকারও ব্যবস্থা করে দেবে সরকার। নবগ্রামের সভা থেকে বললেন মমতা।
কেবল সংখ্যালঘু সম্প্রদায় নয়, হিন্দু-মুসলিম, এমনকি আদিবাসীদের নামও এসআইআর-এ বাদ দেওয়া হয়েছে! এমনই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।
মুর্শিদাবাদের নবগ্রামে দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে সভা করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।