রাজ্যে সিইও মনোজ আগরওয়াল। — নিজস্ব চিত্র।
রাজ্যের চার আধিকারিককে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও)-এর দফতর থেকে সরিয়ে নিল নবান্ন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন এক জন ডেপুটি সিইও। সেই সঙ্গে স্বাস্থ্য এবং পরিবার কল্যাণ দফতরের এক আধিকারিককে সিইও দফতরের যুগ্ম মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক করে পাঠানো হল। সোমবার এই নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে নবান্ন। সেই সূত্রে জানা গিয়েছে, রদবদলের প্রস্তাব দিয়েছিলেন খোদ সিইও মনোজ আগরওয়ালই।
বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, ১৯৯৮ ব্যাচের ডব্লিউবিসিএস অফিসার নরেন্দ্রনাথ দত্তকে শ্রম দফতরের অতিরিক্ত সচিব করে পাঠানো হয়েছে। ২০০০ ব্যাচের সুপ্রিয় দাসকে খাদ্য এবং প্রক্রিয়াকরণ ও উদ্যানপালন বিভাগের অতিরিক্ত সচিব করে পাঠানো হয়েছে। তাঁরা দু’জনেই সিইও দফতরে অতিরিক্ত সচিব পদে ছিলেন। ২০০৪ ব্যাচের মিঠু দত্তকে সংখ্যালঘু বিষয়ক এবং মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের যুগ্ম সচিব করে পাঠানো হল। তিনি রাজ্যের সিইও দফতরের যুগ্ম সচিব ছিলেন। ২০০৫ সালের ডব্লিউবিসিএস অফিসার সুব্রত পালকে স্বাস্থ্য এবং পরিবার কল্যাণ দফতরের সিনিয়র ডেপুটি সচিব করে পাঠানো হয়েছে। সুব্রত ডেপুটি সিইও ছিলেন। অন্য দিকে, ২০০১ ব্যাচের রাহুল নাথ ছিলেন স্বাস্থ্য এবং পরিবার কল্যাণ দফতরের অতিরিক্ত সচিব। তাঁকে যুগ্ম সিইও করে পাঠানো হয়েছে।
সোমবারই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। দ্রুত শুনানির আর্জি জানান তিনি। এক দিনের মধ্যে রাজ্যের বিডিও এবং বিভিন্ন থানা ওসি-সহ ২৬৭ জন আধিকারিককে অপসারণ করেছে নির্বাচন কমিশন। তার বিরুদ্ধে এই মামলা। রবিবারও রাজ্য পুলিশ এবং প্রশাসনে একঝাঁক রদবদল করেছে কমিশন। ভবানীপুর, নন্দীগ্রাম-সহ রাজ্যের ১৭০ থানার ওসিকে দায়িত্ব থেকে সরিয়েছে। সব মিলিয়ে ১৮৪ জন পুলিশ আধিকারিককে অপসারণ করা হয়েছে। দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে ৮৩টি ব্লকের বিডিও এবং সহকারী রিটার্নিং অফিসার (এআরও)-কে। তালিকায় রয়েছেন নন্দীগ্রামের দুই ব্লকের বিডিও-ও। এ বার সিইও-র প্রস্তাবে তাঁর দফতর থেকে চার অফিসারকে সরিয়ে নিল নবান্ন।