গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
২০১৯ সালে যখন দ্বিতীয় বার লোকসভা ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন, পাঁচ বছরের মধ্যে অর্পিতা ঘোষের সম্পত্তি বেড়েছিল পাঁচগুণের বেশি। ২০২৬ সালে বালুরঘাটের তৃণমূল প্রার্থীর হলফনামা থেকে দেখা যাচ্ছে, গত সাত বছরে তাঁর অস্থাবর সম্পত্তি বেড়েছে প্রায় চার গুণ। তবে নাট্যকর্মী তথা প্রাক্তন সাংসদের নিজের কোনও বাড়ি নেই। একটি গাড়ি আছে।
৫৯ বছরের তৃণমূল প্রার্থী অর্পিতা কলকাতার বেহালার বাসিন্দা। নির্বাচনী হলফনামায় বালুরঘাট বিধানসভার প্রার্থী জানিয়েছেন, তাঁর হাতে নগদ রয়েছে ৪৫ হাজার টাকা। বেশ কয়েকটি ব্যাঙ্কে অর্থ গচ্ছিত রয়েছে। স্থায়ী আমানত যেমন রয়েছে, তেমনই আছে সেভিংস অ্যাকাউন্টও। শেয়ার বাজার, মিউচুয়াল ফান্ড ইত্যাদিতে সব মিলিয়ে প্রায় সাড়ে ৭ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করেছেন তিনি। রয়েছে জীবনবিমাও।
একটি চারচাকা গাড়ির মালিক অর্পিতা। ২০২০ সালে গাড়িটি কেনেন। দাম পড়েছিল ১১ লক্ষ টাকা। অর্পিতার কোনও গয়নাগাটি নেই। সব মিলিয়ে তাঁর অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ১ কোটি ২২ লক্ষ টাকার বেশি।
বালুরঘাটের তৃণমূল প্রার্থীর নিজের নামে কোনও কৃষিজমি নেই। পৈতৃক সূত্রে পাওয়া জমিজমাও নেই। নিজের নামে বাড়িও নেই বলে জানিয়েছেন। নেই ঋণও।
২০১৪ সালে প্রথম বার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন অর্পিতা। বালুরঘাটের তৃণমূল প্রার্থী তখন জানিয়েছিলেন, তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ৫ লক্ষ ৪৪ হাজার টাকা। ভোটে জয়ী হয়ে সংসদে যান অর্পিতা। পাঁচ বছর পর আবার ওই কেন্দ্র থেকে তাঁকে প্রার্থী করেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচনী হলফনামায় বিদায়ী সাংসদ জানান, তাঁর অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ২৮ লক্ষ ২৪ হাজার টাকা। অর্থাৎ, প্রায় পাঁচ গুণ সম্পত্তি বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বারে অর্পিতা জানান, ২০২৪-’২৫ অর্থবর্ষে তাঁর রোজগার ৯ লক্ষ ২২ হাজার টাকা। এখন অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণের সঙ্গে তুলনা করলে গত সাত বছরে চতুর্গুণ সম্পত্তি বেড়েছে তাঁর।
নাট্যব্যক্তিত্ব অর্পিতা ১৯৮৮ সালে স্কটিশ চার্চ কলেজ থেকে বিজ্ঞানে স্নাতক হন।
বালুরঘাট বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে কোনও মামলা নেই।