(বাঁ দিকে) আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায় এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।
সুপ্রিম কোর্টের শুনানি চলাকালীন কমিশনের আইনজীবীকে ৪ মে নৈশভোজের আমন্ত্রণ জানান কল্যাণ। কমিশনের আইনজীবীর উদ্দেশে তিনি বলেন, “৪ মে নৈশভোজের আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।” সে কথা শুনে বিচারপতি বাগচী বলেন, “উনি যদি আগে কলকাতায় আসতেন, তা হলে সেই দায়িত্ব আমারই থাকত।”
সলিসিটর জেনারেল মেহতা জানান, কেন্দ্রীয় বাহিনী খুব ভাল কাজ করেছে। প্রধান বিচারপতি কান্তও জানান, ভোটারেরা যদি নিজের ভোটের শক্তি উপলব্ধি করতে পারেন, তবে তাঁরা হিংসায় জড়ান না। তিনি আরও জানান, ট্রাইবুনালে নাম নিষ্পত্তি নিয়ে আদালতের হস্তক্ষেপের প্রয়োজন হলে হাই কোর্টে আবেদন করা যাবে।
কেন্দ্রের তরফে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতাও প্রথম দফার ভোট প্রসঙ্গে জানান, ৯২ শতাংশ ভোট পড়া ঐতিহাসিক। কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ছিল বলেই জানান তিনি।
শুনানির একটি পর্যায়ে বিচারপতি বাগচী বলেন, “রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয়, উলুখাগড়ার প্রাণ যায়।”
পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দফার ভোট নিয়ে মন্তব্য করলেন প্রধান বিচারপতি কান্তও। তিনি বলেন, “একজন ভারতীয় নাগরিক হিসাবে ভোটদানের বেশি হার দেখে আমি খুবই খুশি। মানুষ যখন ভোটাধিকার প্রয়োগ করে, তখন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করে।”
কল্যাণ এজলাসে বলেন, “এ বার ৯২ শতাংশ ভোট পড়েছে। পরিযায়ী শ্রমিকেরা এসেও ভোট দিয়েছেন।” তাতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীও মন্তব্য করেন, “কোনও হিংসার ঘটনা ঘটেনি।”
তৃণমূলের হয়ে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে জানান, ২৭ লক্ষ আবেদনের মধ্যে মাত্র ১৩৬টির নিষ্পত্তি হয়েছে। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত তাঁকে বলেন, “ওই বিষয়ে কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে যান।”
মোথাবাড়িতে বিচারকদের ঘেরাও করার ঘটনায় এনআইএ-কে চার্জশিট দেওয়ার অনুমতি দিল সুপ্রিম কোর্ট।