গত ফেব্রুয়ারি মাসে তৃণমূলে যোগদান করেন স্বপ্না বর্মণ। —ফাইল চিত্র।
জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের তৃণমূল প্রার্থী স্বপ্না বর্মণের ভোটে লড়তে কোনও বাধা নেই। তিনি প্রার্থী হতে পারেন। রবিবার মনোয়নপত্র জমা দেওয়ার ঠিক শেষ দিনের আগে জানাল নির্বাচন কমিশন।
প্রাক্তন রেলকর্মী তথা অ্যাথলিট স্বপ্নার ভোটে লড়া নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয়েছে। ওই বিতর্কে রবিবার কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধি আইনের অনুচ্ছেদ ৯ অনুযায়ী, স্বপ্নার নির্বাচনী লড়াইয়ে কোনও বাধা নেই। রেলের তরফে তাঁর বিরুদ্ধে মূলত তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে। এক, রেলকর্মী হয়ে কোনও রাজনৈতিক দলে সক্রিয় ভাবে অংশ নিয়েছেন। দুই, কর্মক্ষেত্রে সততা এবং কর্তব্যপালনের প্রশ্ন উঠেছে এবং তিন, রেলকর্মী হিসাবে তাঁর কাজ। ইতিমধ্যে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে পদক্ষেপ করেছে রেল। স্বপ্না ওই চাকরিও করছেন না। কিন্তু জনপ্রতিনিধি আইন অনুসারে কর্মক্ষেত্রে দুর্নীতি কিংবা রাষ্ট্রের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করলে পাঁচ বছর কেউ নির্বাচনী লড়াইয়ে নামতে পারেন না। স্বপ্নার বিরুদ্ধে উক্ত কোনও অভিযোগই নেই। তা-ই প্রার্থী হতেও তাঁর কোনও বাধা নেই।
যদিও তার পরেও ‘কিন্তু’ থাকছে। কারণ, স্বপ্না এখনও রেলের তরফে এনওসি (ছাড়পত্র) পাননি। শোনা যাচ্ছে, সোমবার দুপুরে সেটি পেতে পারেন। অন্য দিকে, সোমবারই মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জেলা তৃণমূলের অন্দরে ধন্দ তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে স্বপ্নাকেও নির্বাচনী প্রচারে দেখা যায়নি। রবিবার রাজগঞ্জের বিদায়ী বিধায়ক খগেশ্বর রায় জানিয়েছিলেন, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে ফোন করেছিলেন। তাঁকে বলা হয়েছে, স্বপ্না রেলের কাছ থেকে ছাড়পত্র পান বা না পান, তিনিও যেন সোমবার মনোনয়নপত্র জমা দেন। এ নিয়ে স্বপ্নার অবশ্য কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।